Wednesday, April 22, 2026

ন্যায়বিচার হয়েছে: নিয়োগ মামলায় বিচারপতির অপসারণ নিয়ে যা বললেন কুণাল

Date:

Share post:

নিয়োগ দুর্নীতির সবকটি মামলা থেকে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে(Abhijit Ganguly) সরানোর নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত(Supreme Court)। শুক্রবার সুপ্রিমকোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানালেন তৃণমূলের(TMC) রাজ্য সাধারন সম্পাদক কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh)। তিনি জানালেন, ” কোনও মামলাকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর আঙ্গিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে, সম্মানীয় চেয়ারে বসে কেউ যদি সেই চেয়ারের অপব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। আমরা সেই প্রতিবাদ করেছিলাম। সুপ্রিমকোর্টে আজ ন্যায় বিচার হয়েছে।

শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় কুণাল ঘোষ বলেন, “মহামান্য শীর্ষ আদালত যে রায় দিয়েছেন তা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই। বিচার ব্যবস্থার উপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে তৃণমূলের। বিচারপতিদের প্রতিও আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। একজন বিচারপতি কোনও মামলায় কি সিদ্ধান্ত নেবেন সেটা তাঁর বিষয়। আইন নিয়ে আমরা কোনও রকম মন্তব্য করব না। যদি কেউ কোনও দোষ করে থাকেন তবে আইনের বিচারে তার শাস্তি হবে। কিন্তু বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপর আমাদের একটা অভিযোগ ছিল, উনি নির্ধারিত মামলার বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক ‘উইস লিস্ট’ দিচ্ছেন। একটি দল ও দলনেতা-নেত্রীদের আক্রমণ করছেন আইন বহির্ভূতভাবে। তিনি জনসমক্ষে যেভাবে ‘উইশ লিস্ট’ দিয়েছেন যে ধরনের সংলাপ দিয়েছেন তা রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট। হয় তিনি বিরোধীদের উৎসাহিত করছেন বা তিনি বিরোধীদের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছেন। আমরা সেক্ষেত্রে একটি ব্যাতিক্রমি প্রতিবাদ রেখেছিলাম। মহামান্য সুপ্রিমকোর্ট যে রায় দিয়েছেন সেটা ন্যায় বিচার হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে অভিযোগ উঠেছিল, কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় শিক্ষক নিয়োগে নিয়োগের দুর্নীতির মামলা শোনার সময় সেই মামলা নিয়ে টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে সুপ্রিম বিচারপতি জানান, বিচারপতিরা কোনও ভাবেই তাঁদের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন না। উনি যদি সাক্ষাৎকার দিয়ে থাকেন, তা হলে তিনি ওই মামলা শোনার অধিকার হারিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে নতুন কোনও বিচারপতিকে দায়িত্ব দিতে হবে। শুক্রবার সেই মর্মেই রায় দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত সবকটি মামলা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Related articles

ড্রাই ডে করল কে? কমিশনের প্রশাসন আর সিইও-র দায় ঠেলাঠেলি!

রাজ্যের প্রশাসনের সব ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে। অথচ কমিশনের নির্দেশ ছাড়া না কি কাজ করছে আবগারি দফতর! রাজ্যে...

ডিএ বৃদ্ধি-প্রকল্প ঘোষণা জুমলা সরকারের ‘নির্বাচনী টোপ’! কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন নেত্রী

বাজেটে কোনও ঘোষণা করেনি কেন্দ্র। ভোটের মুখে বিধি ভেঙে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি, আবার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ২ শতাংশ...

তৃণমূল নেত্রীকে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা! পতাকা-প্রতীক ছাড়াই আড্ডা মমতার

কখনও হেলিকপ্টার উড়তে বাধা। কখনও সভা করতেই অনুমতি নেই। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য হরেক নিয়ম লাগু করার জন্যই নির্বাচন...

প্রথম দফায় ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং! ১৫২ আসনে ভোট, কড়া নজর কমিশনের

বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট মেনেই রাজ্যে বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি আসনে এই দফায় জনমত প্রতিফলিত...