Friday, April 24, 2026

বাংলাকে বদনাম করতে ‘পচা’ বিজেপির ষড়যন্ত্র! সন্দেশখালি-ভিডিও নিয়ে তীব্র আক্রমণ মমতা-অভিষেকের

Date:

Share post:

সন্দেশখালির ঘটনা অনেকটাই সাজানো। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেখানে অশান্তি ছড়িয়েছে বিজেপি-সহ বিরোধীরা। আগেই এই অভিযোগ করেছিল রাজ্যের শাসকদল। এবার লোকসভা ভোটের মধ্যে সন্দেশখালির কাণ্ড নিয়ে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি ‘বিশ্ববাংলা সংবাদ’। ভিডিওতে সন্দেশখালির এক বিজেপির এক নেতাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, রাজনৈতিক কারণে মিথ্যে ষড়যন্ত্রের ছক রচনা করা হয়েছিল। এই বিষয়ে নিয়ে বিজেপিকে (BJP) তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল (TMC) সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল বলছেন, “তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার না করাতে পারলে আন্দোলন করা যাবে না। শুভেন্দুদা বলেছিলেন, গ্রেফতার না করালে ভোটেও দাঁড়ানো যাবে না। শুভেন্দু অধিকারী টাকা-মোবাইল দিয়ে সাহায্য করেছেন।” এই নিয়ে নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে গর্জে উঠলেন মমতা (Mamata Banerjee) ও অভিষেক।

তৃণমূল সভানেত্রী লেখেন, “সন্দেশখালির চাঞ্চল্য়কর স্টিং দেখে বোঝা যায়, বিজেপির কত গভীর পর্যন্ত পচন ধরেছে। বাংলার প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা এবং সংস্কৃতির প্রতি ঘৃণায় বাংলা বিরোধীরা আমাদের রাজ্যকে বদনাম করতে সবরকমের ষড়যন্ত্র করেছে। ভারতের এযাবৎকালীন ইতিহাসে দিল্লিতে এমন শাসকদল একটিও দেখা যায়নি, যারা একটা গোটা রাজ্য এবং রাজ্যবাসীকে এভাবে বদনাম করার চেষ্টা করেছে। দিল্লির এই ষড়যন্ত্রকারী সরকারের বিরুদ্ধে কীভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় বাংলা, কীভাবে তাদের বিসর্জন দেয়, ইতিহাস তার সাক্ষী থাকবে।“ ফেসবুকে লেখেন, “সন্দেশখালির এই স্টিং অপারেশন প্রমাণ করে যে, বিজেপি আসলে কতটা নোংরা এবং ঘৃণ্য একটি দল। বাংলার প্রগতিশীল ভাবধারা ও কৃষ্টি-সংস্কৃতির প্রতি আঘাত হানতে, বাংলা-বিরোধীরা আমাদের রাজ্যের সম্মানহানি করার জন্য ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে।

ভারতের ইতিহাসে এর আগে কখনও দিল্লির কোনো শাসক দল, স্রেফ প্রতিহিংসার বশে একটি গোটা রাজ্য এবং সেই রাজ্যের জনগণকে অপমান করার এইরকম চেষ্টা করেনি।
ইতিহাস সাক্ষী থাকবে কীভাবে দিল্লির ষড়যন্ত্রমূলক শাসনের বিরুদ্ধে বাংলা গর্জে উঠবে এবং তাদের বিসর্জন নিশ্চিত করবে।“

অভিষেক লেখেন, “সন্দেশখালির স্টিং ভিডিও দেখে আমি হতবাক, বাকরুদ্ধ। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে বাংলা বিরোধী বিজেপি বাংলাকে বদনাম এবং কালিমালিপ্ত করতে কী পরিকল্পনা করেছে, প্রত্যেক নাগরিকের দেখা উচিত। এই জঘন্য আচরণই প্রমাণ করে ক্ষমতার অপব্যবহার কোন পর্যায়ে যেতে পারে। লজ্জাজনক।“ শনিবারই বিকেল পাঁচটায় এই বিষয় নিয়ে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক।





Related articles

প্রথম দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি রাজ্যে, রাত পর্যন্ত মোট গ্রেফতার ৪১ 

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি ও গোলমাল পাকানোর অভিযোগে মোট ৪১ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।...

কুণালের সমর্থনে মেগা রোড-শো দেবের, জনপ্লাবনে ভাসল বেলেঘাটা

বেলেঘাটায় ভোটের প্রচারে অন্য প্রার্থীদের আগেই কয়েক যোজন পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন কুণাল কুমার ঘোষ। প্রচারের শেষ লগ্নে এসে...

যত বেশি ভোট, তত বড় প্রত্যাবর্তন! প্রথম দফার শেষে আত্মবিশ্বাসের সুর তৃণমূল শিবিরে

যত বেশি হারে ভোট, তত জোরালো প্রত্যাবর্তন। বাংলার মানুষ বিজেপির কোমর ভেঙে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি জননেত্রী মমতা...

দুবরাজপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘আচরণে প্রশ্নের মুখে কমিশন

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফাতেই রণক্ষেত্র হয়ে উঠল বীরভূমের দুবরাজপুর। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের নামে সাধারণ মানুষের ওপর...