Wednesday, June 24, 2026

দক্ষিণ গা.জায় ‘কৌশলগত বিরতি’ ঘোষণা ই.জরায়েল সা.মরিক বা.হিনীর

Date:

Share post:

দক্ষিণ গাজায় বেশি পরিমাণে ত্রাণসামগ্রী পাঠাতে আক্রমণে ‘কৌশলগত বিরতি’ ঘোষণা করেছে ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী। ওই অঞ্চলের কিছু অংশে তাদের সামরিক কার্যকলাপে প্রতিদিন কৌশলগত বিরতি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সেখানে ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকটের বিষয়ে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর সতর্কতা ঘোষণার পর রবিবার আইডিএফ এই ‘কৌশলগত বিরতি’ ঘোষণা করে।ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী রবিবার বলেছে, তারা আরও মানবিক সাহায্য প্রবেশের সুযোগ দিতে দক্ষিণ গাজার একটি রাস্তা বরাবর ‘সামরিক কার্যকলাপের কৌশলগত বিরতি’ রাখবে। এই বিরতি শুধু একটি রুটের জন্য কার্যকর হবে, যা মূল কেরেম শালোম ক্রসিং থেকে উত্তর দিকে গিয়েছে। ক্রসিংটি গাজা ও ইজরায়েলের মধ্যে অবস্থিত। বিরতি শনিবার শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এটি চলবে।

গাজায় মানবিক সংকট যাতে আরও খারাপ না হয়, ইজরায়েল আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে। ইজরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী বলেছে,এই ঘোষণা ‘জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা’ অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে।মানবিক বিরতির পথটি গাজার দক্ষিণে অবস্থিত কেরাম শালোম ক্রসিং থেকে প্রধান মহাসড়ক সালাহ আল-দিন রোড পর্যন্ত এবং তারপর উত্তর দিকে খান ইউনিস শহরের কাছে ইউরোপিয়ান হাসপাতালের দিকে বিস্তৃত।এদিকে গাজায় ত্রাণ সরবরাহে সহায়তা করা অ্যাকশনএইডের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিরতি ত্রাণ সরবরাহে সাহায্য করবে।

জানা গিয়েছে, অ্যাকশনএইড ‘গত কয়েক সপ্তাহে কেরাম শালোম থেকে গাজায় যাওয়ার চেষ্টা করা ত্রাণবাহী গাড়ির ওপর উল্লেখযোগ্য আক্রমণ’ দেখেছে।এক মাসেরও বেশি সময় আগে ইজরায়েলি সেনারা রাফা শহরে প্রবেশ করেছে। তারা মিশরের সঙ্গে থাকা রাফা ক্রসিংয়ের গাজার অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অনেক মানুষকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এর পর থেকে লাখ লাখ মানুষ রাফা থেকে পালিয়ে গিয়েছে। ক্রসিংটি এক মাস যাবৎ বন্ধ রয়েছে, অথচ সাহায্য পাঠানোর সেটিই প্রধান পয়েন্ট। ইজরায়েল বলেছে, হামাসকে তাদের ‘শেষ প্রধান শক্ত ঘাঁটি’ থেকে বিতাড়িত করার জন্য রাফাতে তাদের অভিযান জরুরি।অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো গাজায় একটি ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে এবং আরও সাহায্যের জন্য বারবার আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেছেন, গাজার বাসিন্দাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ‘নজিরবিহীন দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতির’ সম্মুখীন। জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয় ওসিএইচএ জানিয়েছে, মে মাসে জ্বালানি ছাড়া গাজায় সাহায্য সরবরাহকারী ট্রাকের দৈনিক গড় সংখ্যা ছিল ছিল ৯৭টি। এপ্রিলে এই সংখ্যাটি ছিল ১৬৯ এবং মার্চ মাসে ছিল ১৩৯। গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে প্রতিদিন জ্বালানিসহ প্রায় ৫০০ ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করত।

 

Related articles

মহরমের মিছিলে বাজবে না ডিজে, অস্ত্র প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা লালবাজারের!

শুক্রবার মহরমের (Muharram) মিছিলে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে, অপ্রীতিকর ঘটনা...

স্মার্ট প্রিপেইড মিটার লাগানোর নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি, আন্দোলনে গ্রাহকরা

সরকারি কর্মী ও সরকারি অর্থভোগীদের বাড়িতে প্রিপেইড স্মার্ট মিটার(Smart Meter) লাগানো বাধ্যতামূলক। সম্প্রতি নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।...

মুম্বইয়ে ভারী বৃষ্টিতে জারি লাল সতর্কতা, বন্ধ আন্ধেরি আন্ডারপাস

মৌসুমি বৃষ্টির ফলে প্রতিবারের মত এবারেও বিপর্যস্ত বাণিজ্যনগরী। তিনদিন একটানা বৃষ্টিতে(Rain) জল জমতে শুরু করেছে মুম্বইয়ে(Mumbai)। মঙ্গলবার রাত...

স্বচ্ছতা অভিযানে রবীন্দ্র সরোবর লেক পরিদর্শনে অগ্নিমিত্রা, দিলেন কড়া নির্দেশ

স্বচ্ছতা অভিযানে রবীন্দ্র সরোবর লেক( Rabindra Sarobor Lake) পরিদর্শন করলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল(Agnimitra Pal)। রবীন্দ্র সরোবরে খেলার...