Monday, June 15, 2026

Justice for RG Kar: মহামিছিল বদলে গেল ‘রাত দখল’-এ, জেগে আছে ধর্মতলা

Date:

Share post:

আর জি করে (R G Kar Madical College And Hospital) তরুণী চিকিৎসক-পড়ুয়ার নৃশংস ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদে ডাকা মহামিছিল বদলে গেল ‘রাত দখল’-এর কর্মসূচিতে। রবিবার তিলোত্তমার বিচার চেয়ে যে মিছিল শুরু হয়েছিল কলেজ স্কোয়ার থেকে সন্ধেয় ধর্মতলায় ফিরে সেই মিছিলে পরিণত হল ধর্নায়। সেখানেই অবস্থানে বসলেন সেলেব থেকে আমজনতা। দ্রুত বিচার, সঠিক বিচার- এই দাবিতে ধর্মতলার মোড়েই রাস্তায় বসে পড়েন স্বস্তিকা, ঊষসী, বিদিপ্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, শ্রমজীবী, বুদ্ধিজীবী মানুষ। ১৪ অগাস্টের মতো “জাস্টিস ফর আর জি কর” দাবিতে রাত জাগছে ধর্মতলা।

রবিবারের ছুটির দুপুরে ভিড়ে ঠাসা ছিল বইপাড়া চত্বরে। পায়েপায়ে বেড়েছে ভিড়। দাবি একটাই “বিচার চাই”। কলেজ স্কোয়ারের মহামিছিলে সামিল অপর্ণা সেন (Aparna Sen),সুদীপ্তা চক্রবর্তী (Sudipta Chakraborty),স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, সোহিনী সরকার (Sohini Sarkar),লগ্নজিতা চক্রবর্তী (Lagnajita Chakraborty), বিদিপ্তা চক্রবর্তী, অপরাজিতা আঢ্য, ঊষসী চক্রবর্তী, চৈতি ঘোষাল (Choiti Ghoshal), ঊষসী রায়রা। রয়েছেন টালিগঞ্জের অভিনেতা, পরিচালক থেকে শুরু করে টেকনিশিয়ানরাও। পা মিলিয়েছেন কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ। কলকাতার বেশ কয়েকটি সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়ারা অভিভাবকদের সঙ্গে এই মিছিলে হেঁটেছেন। চেনা-অচেনা নারী পুরুষ নির্বিশেষে প্রতিবাদের ছবি আর ন্যায় বিচারের স্লোগান ধ্বনিত হয় কলেজ স্কোয়ার থেকে মৌলালির পথে।

আর জি কর হাসপাতালে (R G Kar Madical College And Hospital) কাণ্ডের তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। প্রায় কুড়ি দিন হতে চলল কিন্তু এখনও তদন্তের গতিপ্রকৃতি বোঝা যায়নি। বাংলার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, আসাম, ওড়িশাতেও বারবার এই নৃশংস ঘটনা ঘটছে। এবার গর্জে উঠেছে বাংলা। ‘তিলোত্তমা’ শুধু নয়, এই লড়াই নারীদের সামাজিক নিরাপত্তার এই আন্দোলনে কোনও রাজনৈতিক রং লাগাতে চান না আহ্বায়করা। তাই হাথরাস থেকে আর জি করের ঘটনার প্রতিবাদে পোস্টার ব্যানার দেখা গেছে মিছিলে। মাথায় বেগুনী পট্টি, তার উপরে সাদা রঙে লেখা ‘তিলোত্তমা’। প্রতিবাদ মিছিল থেকে ‘প্রীতিলতার এই মাটিতে ধর্ষকদের ঠাঁই নাই’-এর মতো স্লোগান জোরালো হচ্ছে। আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদেরামধনু রঙের পতাকা নিয়ে মিছিলে সামিল রূপান্তরকামীরাও।

সন্ধ্যেবেলায় ধর্মতলা চত্বরে হয় পথনাটিকা, গান, বক্তৃতা, স্লোগান। মধ্যরাত পেরিয়েও ধর্মতলার নাগরিক মঞ্চের অবস্থানকারীরা জাগছেন। সুবিচারের দাবিতে উঠছে স্লোগান। চার সরকারি দফতর- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী ও শিশুকল্যাণ এবং পরিবহনে ইমেল করা হয়েছে। জবাব না পাওয়া পর্যন্ত অবস্থান চলবে বলে প্রতিবাদীরা জানিয়েছেন।













Related articles

NCPI-তে যোগ দলত্যাগী সাংসদদের: ব্যাঙের ছাতায় কেন, প্রশ্ন তৃণমূলের

লোকসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভ দেখিয়ে নিজেদের দল ছেড়ে এনডিএকে সমর্থনের দাবি করেছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। শেষ...

নেহরুর রেকর্ড ভেঙে মোদির একযুগ: ঋণের পাহাড়, বেকারত্ব ও প্রশ্নফাঁসের ১২ বছর 

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে পিছনে ফেলে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিদিনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। দেশজুড়ে বিজেপির ধান্দাবাজ...

পেট্রোল-ডিজেল ছাড়া ইথানলেই গাড়ি! গড়কড়ির সিদ্ধান্তে সংকটে দেশ

এবার দেশে ১০০ শতাংশ ইথানলে (E100) গাড়ি চালানোর সবুজ সংকেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি...

চাপের কাছে ‘বেসামাল’ হয়েই বিদ্রোহী শিবিরে সুদীপ! ‘বিশ্বাসঘাতক’ দাবি কুণালের

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রবিবার রেবেল তৃণমূলদের সঙ্গে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে দেখা গেল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। তৃণমূলের সঙ্গ ছেড়ে...