Saturday, May 16, 2026

গোটা মনিপুরেই আফস্পা জারি, বিদেশি প্রভাবের তত্ত্ব ওড়ালেন সেনাপ্রধান

Date:

Share post:

তিন বছরের বেশি সময় ধরে হিংসা সামলাতে ব্যর্থ মনিপুরের প্রশাসন ফের কেন্দ্রীয় বাহিনীর শরণ নিল। এবার গোটা রাজ্যে আফস্পা (ASFPA) বজায় রাখার নির্দেশ জারি হল। সেই সঙ্গে তাৎপর্যপূর্ণভাবে মনিপুরে বিদেশি প্রভাবের তত্ত্ব ওড়ালেন দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Gen Upendra Dwivedi)। অর্থাৎ এর থেকেই স্পষ্ট মনিপুরের বিজেপি সরকার নিজেদের জনজাতি গোষ্ঠীর মনোভাব বুঝতে ব্যর্থ।

সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা বা আফস্পা (ASFPA) মনিপুরে জারি রয়েছে ১৯৮০ সাল থেকে। কিন্তু সেনাবাহিনীর এই বিশেষ ক্ষমতাও সীমাবদ্ধ ছিল এতদিন। এপর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৯টি থানা এলাকায় আসফা জারির নজির রয়েছে। এবারই বীরেন সিং (N Biren Singh) সরকার গোটা রাজ্যে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করে আফস্পা জারির নির্দেশ শোনালেন।

সম্প্রতি সাধারণ মানুষ বিশেষত মহিলারা মনিপুরের রাস্তায় বেরিয়েছিলেন কেন্দ্রের দখলদারি সরানোর দাবিতে। এমনকি বিজেপি বিধায়ক রাজকুমার ইমো সিং রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়ে অমিত শাহকে (Amit Shah) চিঠি লেখেন। তবে শেষ পর্যন্ত দেখা গেল মোদির অঙ্গুলি হেলনে রাজ্যের মানুষ এমনকি দলেরও একাংশের মতকে উড়িয়ে দিয়ে আফস্পার (ASFPA) মেয়াদ বাড়িয়ে দিলেন বীরেন সিং (N Biren Singh)।

যদিও মঙ্গলবারই দেশের সেনাপ্রধান মনিপুরে কোনও ধরনের বহিরাগত অনুপ্রবেশের যুক্তি উড়িয়ে দিয়েছেন। শান্তি প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীও এখন মনিপুরে কথাবার্তার পথেই হাঁটছে বলে জানান তিনি। এমনকি অনুপ্রবেশ বা কুকি (Kuki) সম্প্রদায়ের সেনাবাহিনীর উপর হামলা সংক্রান্ত কোনও ধরনের গুজব থেকে বিরত থাকারও বার্তা দেন জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি মনিপুরে শান্তি প্রতিষ্ঠার গোটা দেশের সাহায্যের দাবিও জানান।

Related articles

SIR-এ নাম বাদ পড়লে খারিজ হবে জাতি শংসাপত্র! জারি নির্দেশিকা

রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক আগের প্রশাসনের নিয়ম বদলের পথে বর্তমান রাজ্য সরকার। সেই পথে এবার...

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...