Friday, April 24, 2026

এড়িয়ে যাওয়া! রাজ্য কমিটি তৈরি হলেও জেলা কমিটি নিয়েই বেকায়দায় সিপিআইএম

Date:

Share post:

সাত তাড়াতাড়ি রাজ্য সম্মেলন করে রাজ্য কমিটি গঠন হয়ে গিয়েছে। অথচ এখনো মেটেনি জেলা কমিটি নিয়ে অসন্তোষ। বাংলায় জেলা, গ্রামস্তরে বামেদের সাধারণ মানুষের সমর্থন তো দূরের কথা, দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কতটা দূরত্ব তা এই জেলা কমিটি (district committee) তৈরি নিয়ে ফের প্রকাশ্যে। একাধিক জেলার সিপিআইএম (CPIM) রাজ্য সম্পাদক নিয়ম ভেঙে নির্বাচিত হওয়ায় দলের ভিতরে অসন্তোষ এবার প্রকাশ্যে।

ক্ষমতায় থাকা থেকে ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পরেও বারবার রাজ্যের মানুষের সমস্যা এড়িয়ে গিয়েছে। ২০১১ সালের পরেও রাজ্যের কোন সমস্যায় সমাধানের পথ দেখানো তো দূরের কথা, রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করে নতুন সমস্যা বাড়িয়ে দিয়েছেন সিপিআইএম (CPIM) নেতারা। রাজ্যের মানুষের জন্য কেন্দ্রীয় বঞ্চনা থেকে মূল্য বৃদ্ধির মত জ্বলন্ত ইস্যুগুলি থেকে পিঠ বাঁচিয়ে রেখেছে বামেরা। একইভাবে জেলা কমিটি তৈরিতে দলীয় কর্মীদের প্রতিরোধের সম্মুখীন হলে সেখানেও সহজ সমাধান খুঁজেছিল রাজ্য নেতৃত্ব।

জেলা কমিটির নির্বাচনে এবার বিভিন্ন জেলায় প্রতিরোধের মুখে পড়ে সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্ব। দলের উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া জেলা সম্পাদকদের মেনে নিতে চাইনি অনেক জেলাই। যার ফলে নিয়ম ভেঙে মালদহ, কোচবিহার, পূর্ব মেদিনীপুর ও বাঁকুড়ায় জেলা সম্পাদক নির্বাচন করে সিপিআইএম (CPIM)। কোচবিহারে (Coochbihar) বয়সের নিয়ম ভেঙে ফের সম্পাদক হন অনন্ত রায়। মালদহ (Maldah) ও পূর্ব মেদিনীপুরে (Purba Medinipur) তিনবারের সম্পাদক পদের মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও চতুর্থ বার সম্পাদক করা হয় যথাক্রমে অম্বর মিত্র ও নিরঞ্জন শিহিকে। আবার একাধিক দলীয় পদে থাকার পরেও বাঁকুড়ার (Bankura) জেলা সম্পাদক করা হয় দেবলীনা হেমব্রমকে।

একমাত্র উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) ক্ষেত্রে দলীয় প্রতিরোধের মুখে জেলা সম্পাদক নির্বাচনে গা জোয়ারি করতে পারেনি রাজ্য নেতৃত্ব। সেখানে বদল হয়েছে জেলা সম্পাদক। নতুন সম্পাদক হয়েছেন পলাশ দাশ। কিন্তু কোচবিহার, মালদহ, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়ার ক্ষেত্রে প্রতিরোধ জোরালো না হওয়ায় রাজ্যের চাপিয়ে দেওয়া সম্পাদক গ্রহণ করেছে জেলাগুলি। কিন্তু নিয়ম ভাঙায় এবার প্রশ্নের মুখে রাজ্য কমিটি। ফলে দ্রুত এই জেলাগুলিতে ফের জেলা সম্পাদক বদল করার পথে সিপিআইএম।

সদ্য শেষ হয়েছে রাজ্য সম্মেলন। সর্বসম্মতিক্রমে রাজ্য সম্পাদক হয়েছেন মহম্মদ সেলিম (Mohammed Selim)। কিন্তু জেলাস্তরে কর্মীদের অসন্তোষ এড়িয়ে যাওয়া সিপিআইএম (CPIM) ব্যর্থ রাজ্য সম্মেলনের আগে জেলাগুলির প্রকৃত জেলা সম্পাদক খুঁজে পেতেই। সেখানেই প্রশ্ন, আর কতদিন শূন্যে নেমে যাওয়া নিজেদের দলের সমস্যাগুলিকে এড়িয়ে পার্টি লাইন চালাবেন।

Related articles

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে আজ জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে সিইও

নির্বিঘ্নে বাংলায় প্রথম দফার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৯২ শতাংশের বেশি ভোট দানের হার রীতিমতো রেকর্ড গড়েছে। দ্বিতীয়...

সিরিয়াল ছেড়ে নজরে ভোটের খবর, নির্বাচনী আবহে টলিপাড়ার টিআরপিতে মন্দা !

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই জমে উঠেছে (Election Time)। প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট দান এখন খবরের শিরোনামে। তবে শুধু...

দ্বিতীয় দফার প্রচারে আজ কলকাতা-সহ শহরতলিতে নির্বাচনী কর্মসূচি মমতা-অভিষেকের

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় রেকর্ড ভোটদান শেষে, এবার নজর দ্বিতীয় দফায় (second phase of West Bengal assembly...

দেড় বছর ধরে নাবালিকাকে লাগাতার যৌন নির্যাতন! গ্রেফতার অভিযুক্ত 

শহর কলকাতার বুকে ফের যৌন নিগ্রহের শিকার নাবালিকা। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেড় বছর ধরে লাগাতার শারীরিক সম্পর্কের নামে...