খড়গপুর রেল কোয়ার্টার জবরদখল দিলীপের! ‘রামের ইচ্ছা’ কটাক্ষ কুণালের

বর্তমানে খড়গপুর (Kharagpur) রেল কলোনীর ৬৭৭ নম্বর বাংলোটি (Bunglow) কারো নামে রাখা নেই। শেষ ২০১৯ সালে তুষার কান্তি ঘোষকে দেওয়া হয়েছিল

রামনবমী নিয়ে অশান্তি তৈরির চেষ্টার মাঝেই ফের বিজেপির দিলীপ ঘোষের দুর্নীতি ফাঁস। এবার রেলের কোয়ার্টার (Railway Bunglow) জবরদখলের অভিযোগ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) বিরুদ্ধে। বিজেপি জমানায় রেল ব্যবস্থাকেই জনসাধারণের পরিষেবার থেকে বেশি ব্যক্তিগত পরিষেবার জন্যই ব্যবহার করেছে বিজেপি নেতা মন্ত্রীরা। দিলীপও যে তার ব্যতিক্রম নন তা এখানেই প্রমাণিত। তবে সম্প্রতি রামনবমী (Ramnavami) নিয়ে হাইকোর্টের রায় থেকে মিছিল বের কারকে রামের ইচ্ছা বলে দাবি প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতির। সেই সুরেই তাঁর জবরদখলকেও ‘রামের ইচ্ছা’ কি না, প্রশ্ন তৃণমূলের।

সাধারণত খড়গপুরে রেলের একটি বাংলোতে সেখান গেলে থাকেন দিলীপ ঘোষ। সম্প্রতি সেখানে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিক্ষোভও হয়েছিল। রেলের কর্মী, আধিকারিক বা প্রশাসনিক কোনও পদেই নেই তিনি। তা সত্ত্বেও কীভাবে বাংলোতে (Bunglow) থাকেন, তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে রেলকে একটি আরটিআই করা হয়। সেখানেই দেখা যায় বর্তমানে খড়গপুর (Kharagpur) রেল কলোনীর ৬৭৭ নম্বর বাংলোটি (Bunglow) কারো নামে রাখা নেই। শেষ ২০১৯ সালে তুষার কান্তি ঘোষকে দেওয়া হয়েছিল। রেলের যাত্রী পরিষেবা কমিটির সদস্য হিসাবে তাঁকে বাংলোটি দেওয়া হয়। সেই মেয়াদও শেষ হয়ে গিয়েছে ২০২০ সালের মার্চ মাসে।

এরপরেও সেখানেই থাকেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, দিলীপ ঘোষ বলেছেন সবই রামের ইচ্ছায় হয়! তাহলে একটি প্রশ্ন, খড়্গপুরের (Kharagpur) যে বাংলোটিতে দিলীপবাবু গেলে থাকেন, ভগবান রামের ইচ্ছাতেই কি এই জবরদখল? তথ্য বলছে, বাংলোটির (Bunglow) ব্যবহারকারীর মেয়াদ শেষ ২০২০ সালে। তার পাঁচ বছর পরেও দিলীপবাবু ওটা ব্যবহার করছেন কী করে? কারা দখল করে রেখেছে? কেন বিনা অনুমোদনে ব্যবহার চলছে?