Monday, April 20, 2026

ধর্মতলাতেই চলবে একুশে জুলাইয়ের শহিদ তর্পণ: সমাবেশের আগে বার্তা তৃণমূল নেত্রীর

Date:

Share post:

নির্বাচনে সচিত্র পরিচয় পত্রের দাবিতে ২১শে জুলাইয়ের আন্দোলন শুধুমাত্র বাংলা নয়, ভারতের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। সেই আন্দোলনের উপর সিপিআইএম-এর পুলিশের নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করে তারা এমনভাবে গুলি চালিয়েছিল যে প্রায় দুশো মানুষ আহত ও ১৩ জন নিহত হয়েছিলেন। তাঁদের রক্তের বিনিময়ে দেশের মানুষ সচিত্র পরিচয়পত্রসহ ভোটদানের অধিকার অর্জন করেছেন। তারপরেও সেই বাংলাতেই শহিদ স্মরণ করতে গিয়ে বাধা। তবে ধর্মতলাতেই যে শহিদদের তর্পণ হবে, ২০২৫-এর একুশে জুলাইয়ের (Ekushe July) প্রাক্কালে স্পষ্ট বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ ধর্মতলা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত দীর্ঘদিন ধরেই করেছে বিরোধীরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃঢ় মানসিকতার কাছে সেই চক্রান্ত বারবার বিফল হয়েছে। যে জোর থেকে সেই লড়াই করার শক্তি তিনি পান, তা রবিবার ধর্মতলায় শহিদ স্মরণের প্রাক্কালে ব্যক্ত করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, প্রায় ৩৩ বছর ধরে এই জায়গাটায় হয় তার কারণ এখানে অনেকগুলো প্রাণ লুটিয়ে পড়েছিল। আর এই এলাকাটায় রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছিল। তাই আমাদের বছরে একটাই প্রোগ্রাম শহিদ স্মরণ – আমার এখানে করি।

কখনও আদালতে মামলা, কখনও পাশাপাশি অন্য অনুষ্ঠান করে শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানকে বানচাল করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় বিরোধীরা। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আদালত বেঁধে দিয়েছে মিছিলের ও সমাবেশ শুরুর সময়। যে আন্দোলন স্বচ্ছ ভোটাধিকারের পথ প্রশস্ত করেছিল গোটা দেশে, সেই আন্দোলনকে বানচাল করার চক্রান্তকারীদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, অনেকে আপত্তি জানান। তাদের আমরা বলি তারা যখন নবান্ন অভিযান করেন পুলিশের অনুমতি ছাড়া তখন আপত্তিটা কোথায় থাকে। আমাদের প্যারালাল গ্রোগ্রাম তাদের করতে হয়। তাদের যখন কেন্দ্রীয় প্রোগ্রাম থাকে আমরা তো প্যারালাল প্রোগ্রাম (parallel programme) থাকে না। তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত, দেখা উচিত।

সেই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন কেন বিজেপি নেতারা শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানের সময়েই যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালান, তার পিছনে যে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকে তাও স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ডবল ইঞ্জিন রাজ্যগুলোতে বিজেপি কাউকে ভোট দিতে দেয় না। আর এখানে সিপিআইএম শাসিত রাজ্য তো পশ্চিমবঙ্গ। আমরা হাতে নাতে প্রমাণ পেয়েছি।

Related articles

ভোটের মুখে উত্তপ্ত বরানগর, সিভিক ভলেন্টিয়ারকে মার বিজেপি কর্মীদের

বরানগরে বিজেপির (BJP) দাদাগিরি, তৃণমূলের নামে কটুক্তির প্রতিবাদ করায় গোবিন্দ আরি নামে এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে মারধর। ঘটনাটি ঘটেছে...

মুর্শিদাবাদে আত্মহত্যার চেষ্টা CRPF জওয়ানের

ভোটের ডিউটি করতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের আত্মহত্যার চেষ্টা ঘিরে চাঞ্চল্য। সোমবার দুপুরের মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের শক্তিপুর...

IPL: জয় পেলেও অঙ্ক কঠিন, জানুন নাইটদের প্লে অফের সমীকরণ?

চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। ম্যাচ জিতে পয়েন্ট তালিকায় ৯ নম্বরে কেকেআর(KKR)।...

বিবাহবার্ষিকী উদযাপনের পরেই হাসপাতালে আলিয়া, কাপুর পরিবারে উদ্বেগ না সুখবর!

অস্ট্রিয়ায় বরফের মাঝে চতুর্থ বিবাহবার্ষিকী উদযাপন শেষে ফের চর্চায় রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor) ও আলিয়া ভাট (Alia Bhatt)।...