ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে জীবন শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজারহাটের (Rajarhat) পরিবারের! এই ঘটনায় ট্যাংরা কাণ্ডের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। নারায়ণপুরের দেবী পার্ক এলাকার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক অনুমান বাড়ির কর্তা সঞ্জয় দে (Sanjay Dey) ও তাঁর স্ত্রী সম্ভবত ঘুমের ওষুধ খেয়েই আত্মহত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। বাড়িতে ছিলেন সঞ্জয়ের শাশুড়িও। তাঁকেও ওষুধ খাওয়ানো হয়। দুই মহিলার মৃত্যু হলেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি পরিবারের একমাত্র পুরুষ সদস্য। তদন্তে নেমেছে নারায়ণপুর থানার পুলিশ (Narayanpur Police Station)।

স্থানীয় সূত্রে খবর, সঞ্জয় ভালোই রোজগার করতেন। তবে সম্প্রতি আর্থিক সমস্যা বাড়ায় বিভিন্ন জায়গা থেকে দেনা করেছিলেন। বাড়িতে প্রায়ই পাওনাদাররা আসতেন। ঋণের বোঝা ক্রমশ বাড়তে থাকে অথচ সুরাহার পথ মেলেনি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে নিজের গাড়ি, বাড়িও বিক্রি করতে বাধ্য হন তিনি। বর্তমানে স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁদের কোনও সাড়াশব্দ পাননি প্রতিবেশীরা। সন্ধ্যায় পুলিশ পৌঁছে বাড়ির দরজা ভেঙে দুজনের দেহ উদ্ধার করে। এরপরই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সঞ্জয়কে। তবে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে তদন্তকারীদের মনে। কী কারণে বাজারে এত টাকা ধার হয়ে গেল বা কাদের থেকেই টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সঞ্জয় তা এখনও স্পষ্ট নয়।
–

–

–

–

–

–
–
–
–
–
–
–
–
