Wednesday, March 25, 2026

ABVP নেত্রী সপাটে চড় মারল অধ্যাপককে! পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখল

Date:

Share post:

দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে রাজধানীর কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-র ক্ষমতায় আসা শুরু হয়েছে। খানিকটা সহজও হয়েছে। তবে তার ফল হাতেনাতে ভুগছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। ছাত্র হেনস্তা থেকে এবার অধ্যাপক হেনস্তায় এবিভিপি (ABVP) নেতা-নেত্রীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও-তে দেখা গেল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (Delhi University) ছাত্র সংগঠনের বিজেপি নেত্রী সপাটে চড় মারলেন অধ্যাপককে (professor)। আর পুলিশ দাঁড়িয়ে সেটি দেখল।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সভাপতির (President) পদে জয়ী হয় এনএসইউআই (NSUI) প্রতিদ্বন্দ্বী। যুগ্ম সম্পাদকের (joint secretary) পদের দুটিতেই জয়ী হয় এবিভিপির প্রার্থীরা। এরপরই মারধর করা হয় এনএসইউআই-এর জয়ী প্রার্থীকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বি আর আম্বেদকর কলেজ (B R Ambedkar College) কর্তৃপক্ষ সেই ঘটনায় তদন্ত শুরু করে। কলেজের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি (disciplinary committee) তদন্ত চালাচ্ছিল। আর সেখান থেকেই ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে এবার অধ্যাপকদের গায়ে হাত তুলতেও পিছপা হচ্ছে না বিজেপির ছাত্র সংগঠন।

কলেজের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক সুজিত কুমারের উপর মারধরের ঘটনার তদন্তভার ছিল। সেই পরিস্থিতিতে কলেজে দিল্লি পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থেও মজুত ছিল। সেই পুলিশ কর্মীদের সামনেই বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম সম্পাদক (joint secretary) দীপিকা ঝাকে দেখা যায় অধ্যাপক (professor) সুজিত কুমারকে চড় মারতে। ঘটনায় পুলিশ কোনও পদক্ষেপ না নিলেও সরব অধ্যাপকদের সংগঠন। ডেমোক্রাটিক টিচার্স ফ্রন্ট, দিল্লি ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে আলাদা আলাদা চিঠি লেখা হয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে। নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্তের দাবি করা হয়।

আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের বাড়িতে বোমাতঙ্ক, তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ

যদিও এই ঘটনার পরে নিজের দোষ ঢাকতে অধ্যাপকের চরিত্র নিয়ে রাজনীতিতে নামে এবিভিপি। একদিকে মারধরে অভিযুক্ত। অন্যদিকে অধ্যাপক পেটানোর অভিযোগ নিয়েও রাজধানীতে কতটা বেপরোয়া বিজেপির ছাত্র সংগঠন (students union), তা এর থেকেই প্রমাণিত। অধ্যাপকদের সংগঠনের দাবি, যদি এই ঘটনায় যথাযথ তদন্ত করে দোষীর শাস্তি না হয়, তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ চত্বরগুলিতে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হবে। ছাত্র ও শিক্ষক উভয় সমাজই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।

Related articles

আমজনতার সমস্যা বাড়িয়ে ফের বাড়ল এলপিজি বুকিংয়ের সময়সীমা!

ফের এলপিজি গ্যাস বুকিংয়ে (LPG cylinder booking issue) নিয়ম বদল! গ্রামাঞ্চলের ৪৫ দিনের সময়সীমা এবার শহরাঞ্চলেও। পশ্চিম এশিয়ার...

নির্বাচনী প্রচারে আজ নন্দীগ্রামে অভিষেক, জনসভা দাসপুর-কেশিয়াড়িতেও

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে (Nandigram) আজ কর্মিসভা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক...

আজ উত্তরের ময়নাগুড়ি-জলপাইগুড়ি- দার্জিলিঙে নির্বাচনী প্রচারে মমতা 

এপ্রিলে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। তার ঠিক একমাস আগে থেকেই জোর কদমে প্রচার শুরু করেছে...

কেমন আছেন সোনিয়া গান্ধী: রাতে হাসপাতালে প্রিয়াঙ্কা

রাজ্যসভার সাংসদ তথা কংগ্রেসের সংসদীয় কমিটির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) মঙ্গলবার রাতে আচমকা অসুস্থ হয় পড়ায় তাঁকে...