প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করছেন ভারতকে তিনি বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতি করেই ফেলেছেন। যদিও রাষ্ট্রসঙ্ঘ এখনও সেই স্বীকৃতি দেয়নি ভারতকে। কিন্তু রবিবার যে বাজেট কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) পেশ করেছেন তাতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের (economic growth) ভাবনা কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে বিশ্বে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অর্থমন্ত্রী ফের ১৭ লক্ষ কোটি ধারের (borrowing) ঘোষণা করেছেন। আর তা নিয়েই এবার আলোচনা বিশ্ব অর্থনীতিতে।

গত অর্থবর্ষে ভারতের ধারের পরিমাণ যা ছিল তার থেকে একলাফে ধার বাড়ানো হচ্ছে ১৭ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের সামগ্রিক ঋণের (borrowing) পরিমাণ ছিল ১৪.৬ লক্ষ কোটি। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৭.২ লক্ষ কোটি। যার ফলে অর্থনীতিবিদদের ধারণা এর প্রভাব শেয়ার মার্কেটে সুদূর প্রসারী হিসাবে পড়তে চলেছে নেতিবাচক হিসাবে।
এশিয়ার তৃতীয় অর্থনীতি ভারতে গত কয়েক মাস ধরে শুল্কের (tariff) কারণে নড়বড়ে অবস্থান। সেই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার ঋণের পরিমাণ যেভাবে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা। এবার যে ঋণের ঘোষণা হয়েছে তা রেকর্ড (record)। কিন্তু তা শোধের কোনও পরিকল্পনা বাজেটে পেশ হয়নি বলেই দাবি অর্থনীতিবিদদের। যেখানে ২০২২৪-২৫ অর্থবর্ষ থেকে ঋণের পরিমাণ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেখানে বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়নি অর্থনীতিবিদরা।

আরও পড়ুন : ভোটমুখী তামিলনাড়ু-কেরালা থেকে শুধু নেওয়ার ছক বিজেপির! বরাদ্দ শূন্য

যদিও অর্থমন্ত্রী তাঁর ভাষণে ফিসকল ঘাটতি (Fiscal deficit) কমানোর আশা দিয়েছেন। জিডিপি-র (GDP) ৪.৩ শতাংশ ফিসকল ঘাটতি নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ভারত ১০ বছরের বন্ডে এই ঋণ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তবে একটি অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশের বন্ডে ঋণ নেওয়া দেশের ইতিহাসে প্রথম।

–

–

–
–
–
