ভোটার তালিকার SIR ঘিরে জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের চাহিদা বেড়েছে। সেই সুযোগের অপব্যব্যহারের অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ (Kolkata Municipal Corporation)। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। ঘটনা জানার পরেই মঙ্গলবার স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন ডেপুটি মেয়র। বেশ কয়েকজন আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে, আবার কিছু কর্মচারীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুরসভার এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, “বার্তা স্পষ্ট—ঘুষ বা দালালচক্রকে কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”

অভিযোগ তুলেছেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন ও দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল সাংসদ মালা রায়ের পরিচিত এক ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, দ্রুত জন্ম শংসাপত্র পাইয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। বিষয়টি মালা রায়ের নজরে আসতেই তা পৌঁছে যায় পুর প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে। যদিও তাঁর উদ্যোগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শংসাপত্র পেয়ে যান, কিন্তু ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ঢাকাচাপা থাকেনি। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিকের আত্মীয়ের কাছেও জন্ম শংসাপত্র দেওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়।

ডেপুটি মেয়র অতীন বলেন, ” আমরা অভিযোগ পাওয়ার পর কোনও তদন্ত করিনি, সরাসরি পদক্ষেপ করেছি। বেশকিছু আধিকারিককে যেমন বদলি করে দেওয়া হয়েছে। তেমনই, কিছু আধিকারিক ও কর্মচারীকে বাদ দিয়ে নতুনদের আনা হয়েছে। আরও বেশকিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে, যা প্রকাশ্যে বলা সম্ভব নয়। তবে এই ধরনের অনিয়মকে আমরা প্রশ্রয় দেব না।”

–

–

–

–

–

–

–


