আর জি করের (RG Kar Case) তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে প্রথম থেকেই সিবিআইয়ের (CBI Investigation) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এরমধ্যে এই মামলার তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার পদোন্নতির পরেই হুঁশিয়ারি দিলেন অভয়ার মা। সীমা পাহুজা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে ছিলেন। এখন তিনি পুলিশ সুপার হলেন। দিল্লির স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চে তাঁকে বদলি করা হয়েছে। এখনও আর জি কর মামলার তদন্তভার তাঁর হাতেই থাকছে।

এর প্রতিক্রিয়ায় অভয়ার মা বলেন, “সীমা পাহুজা ম্যাডামকে জেলে ঢোকাবো। উনি এতদিন যা তদন্ত করেছেন, তাতে জেল হওয়া উচিত। কেসটা আরও একটু এগোলে ওঁর বিরুদ্ধে মামলা করব। আমরা যদি আসল অপরাধীদের খুঁজে বার করতে পারি, তাহলে ওঁকে জেলে পাঠাব।” অভয়ার মায়ের বিস্ফোরক দাবি, “সীমা পাহুজা নিজে কোনও তদন্ত করেননি। তাঁর কথায়,”পুলিশের বলা কথাতেই সিলমোহর দিয়েছেন। তাহলে উনি এই মামলাটি হাতে নিলেন কেন? উনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন না। কোনও তদন্তই করেননি।” আরও পড়ুনঃ ‘বে-আইনি’ভাবে কলেজে ঢুকে হাঙ্গামা! আমির-অরিজিতের ভিডিও ডিলিট অধ্যক্ষের

২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আর জি করের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল সিভিক সঞ্জয় রাইকে। এরপর তিন মাসের মাথায় মামলার অন্যতম অভিযুক্ত, আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল জামিন পান। কারণ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে পারেনি সিবিআই। এর পর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়। এক সময় সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাই কোর্টে গিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। কিন্তু এখন তাঁরাই তদন্ত নিয়ে অনাস্থা প্রকাশ করছেন।

–

–

–

–

–

–

–

