ইআরও-এইআরও-দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের পর এবার শাস্তির খাঁড়া নামতে পারে ভোটারদের ওপরও। এসআইআর প্রক্রিয়ার (SIR Hearing Process) শুনানি পর্ব মিটতেই কমিশনের নজরে এসেছে একাধিক সন্দেহজনক লিঙ্কেজ। এনিউমারেশন ফর্মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, কোনও ভোটার ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দিলে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩১ নম্বর ধারা অনুযায়ী এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। সেই বিধানই এবার সামনে আসছে নতুন করে। সূত্রের খবর, যাচাই পর্বে দেখা যাচ্ছে বহু ভোটার এমন ব্যক্তির সঙ্গে নিজেদের নাম লিঙ্ক করেছেন, যাঁদের সঙ্গে বাস্তবে কোনও সম্পর্ক বা মিল নেই। এসআইআর-এর শেষ পর্যায়ে গিয়ে কমিশনের অনুসন্ধানে একের পর এক এমন গরমিল ধরা পড়ছে। রোল পর্যবেক্ষকেরা ইতিমধ্যেই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইআরও এবং কমিশনকে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন: বাংলা দখল সহজ নয়: BJP-কে নিশানা শশী-ব্রাত্যর

মঙ্গলবার রাতে রাজ্যে পৌঁছেছেন বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র। এর আগে থেকেই রাজ্যে রয়েছেন সুব্রত গুপ্ত। কমিশন সূত্রে খবর, তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হবে। শুধু ভোটার তালিকায় নাম থাকা নয়, ভুল তথ্য প্রমাণিত হলে অনেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই সংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে পারে। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা ও রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

–

–

–

–

–

–

–

–


