প্রয়াত বঙ্গ রাজনীতির পালাবদলের অন্যতম কারিগর মুকুল রায় (Mukul Roy)। রবিবার মধ্যরাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘ রোগভোগেরও মুক্তি তাঁর প্রয়াণে। তবে মাত্র ৭২ বছর বয়সে তাঁর এই প্রয়াণে রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্কের অবসান।

তৃণমূলের পরিবর্তনের জমানায় দীর্ঘ পালাবদলের সাক্ষী কৃষ্ণনগর উত্তর (Krishnanagar North) কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক মুকুল রায়। ২০২৫ সালে কলকাতা হাই কোর্ট তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ করেছিল। তবে বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সব্বর রশিদির বেঞ্চ এই রায় দিলেও সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) তা স্থগিত হয়। ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির (BJP) টিকিটে জিতে ২০২১ সালেই আবার তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগী আইনে (anti-defection law) মামলা রুজু হয়।

তার পর থেকেই রোগাক্রান্ত হয়ে কার্যত শয্যাশায়ী হন তিনি। একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে এবার তিনি ভর্তি ছিলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

আরও পড়ুন : পিজির মুকুটে নয়া পালক! স্বাস্থ্যসাথীর হাত ধরে রাজ্যে প্রথম ‘সিউচারলেস হার্ট ভালভ’ প্রতিস্থাপন

তাঁর প্রয়াণের খবরে শোকের ছায়া এলাকায়। রাত থেকেই ভিড় করতে থাকেন অনুগামী, দলীয় কর্মীরা। তবে তিনি যে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তা ২৩ জানুয়ারি তাঁর জন্মদিনে ছেলে শুভ্রাংশু রায়ের পোস্টেও প্রমাণ মিলেছে। ফলে তাঁর পরিবার ও অনুগামীরা অনেকাংশেই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন এই দিনের জন্য।



