আশঙ্কাই সত্যি হল, রাঁচি থেকে দিল্লিগামী এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স (Ranchi to Delhi air ambulance accident) দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭। অর্থাৎ এই বিমানে থাকা পাইলট, চিকিৎসক রোগীসহ সকলের মৃত্যু হয়েছে। দিন দশেক আগের অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ সঞ্জয় কুমার (Sanjay Kumar) নামে এক ধাবা মালিকের প্রাণ বাঁচাতে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি। সঞ্জয়ের উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পরিবার। সেই মতোই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সফর পরিণত হলো মৃত্যুযাত্রায়।

বিচক্র্যাফট কিং এয়ার বিই ৯এল মডেল এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট নাগাদ রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিলেও উড়ানের কয়েক মিনিটের মধ্যেই বড় দুর্ঘটনা। মাঝপথে ঝাড়খণ্ডের ছাতরায় সিমারিয়া জঙ্গলে ভেঙে পড়ে সেটি। এই ঘটনা প্রসঙ্গে DGCA জানিয়েছে, ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট নাগাদ কলকাতা এটিসির সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার ঠিক আগে ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল বিমানটি। পাইলট ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় যাওয়ার জন্য এটিএসের কাছে অনুমতি চায়। যদিও এর পরেই র্যাডার থেকে হারিয়ে যায় বিমানটি। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়। রাঁচি বিমানবন্দরের ডিরেক্টর বিনোদ কুমার অবশ্য দুর্ঘটনার জন্য খারাপ আবহাওয়াকে দায়ী করেছেন। তবে বিমানে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি, উত্তর খুঁজতে তদন্ত শুরু এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর বিশেষ তদন্তকারী দলের (special team of aircraft accident investigation bureau)।

–

–

–

–

–

–

–

–


