থাইল্যান্ডে প্রায় ১০ দিনে ৭২টি বাঘের মৃত্যু (Thailand Tiger Deaths)। যা নিয়ে শুরু হয়েছে শোরগোল। চলতি বছরের ৮ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব বাঘের মৃত্যু হয়। মৃত বাঘের সংখ্যা পার্কে (Chiang Mai Wildlife Park) থাকা মোট বাঘের প্রায় ৩০ শতাংশ।

থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই প্রদেশের মে তাইং এবং মে রিম জেলার ঘটনা। মৃত বাঘগুলির শরীরে কোনও অসুস্থতার লক্ষ্মণ দেখা যায়নি বলেই খবর। দুই জেলার দু’টি পার্কে আচমকাই তারা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরে একে একে ৭২টি বাঘের মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে বাঘগুলি ক্যানাইন ডিসটেম্পার ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। কিন্তু কীভাবে এই ভাইরাসের সংক্রমণ হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আরও পড়ুন: বিচার বিভাগ রক্তাক্ত, ক্ষমা যথেষ্ট নয়: বিতর্কিত NCERT-র বই নিষিদ্ধ করে জানাল সুপ্রিম কোর্ট

উত্তর থাইল্যান্ডের এই পার্কে দর্শনার্থীরা বাঘকে ছুঁতে ও কাছে থেকে দেখতে পারেন। ঘটনার পর পার্কটি ১৪ দিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। পুরো এলাকা জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। বেঁচে থাকা বাঘদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ বাঘগুলির কষ্ট লাঘবের জন্য মেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

থাইল্যান্ডের জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রাতানামুংকলানন জানান, নমুনা পরীক্ষায় ‘ক্যানাইন ডিস্টেম্পার ভাইরাস’ (সিডিভি-এক ধরনের ছোঁয়াচে ভাইরাস, যা প্রাণীদের মধ্যে দ্রুত ছড়ায়) পাওয়া গিয়েছে। তবে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ানোর প্রমাণ নেই। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও পাওয়া গিয়েছে।

–

–

–

–

–

–


