অভিনয় জগৎ থেকে রাজনীতির ময়দান— দুই জায়গাতেই তিনি সাবলীল। তিনি শতাব্দী রায়। তবে এবার তাঁর পরিচয় ছাপিয়ে উঠল এক সংবেদনশীল কবি ও দক্ষ উপস্থাপক হিসেবে। শনিবার শিশির মঞ্চে আয়োজিত হয়ে গেল তাঁর বিশেষ অনুষ্ঠান ‘তুমি আমি আর কবিতা’। শতাব্দী রায়ের লেখা কবিতা ও তাঁর নিজস্ব শৈলীর উপস্থাপনায় এক মায়াবী সন্ধ্যার সাক্ষী থাকলেন শহরের সংস্কৃতিপ্রেমীরা।

নায়িকা, শিল্পী, পরিচালক থেকে শুরু করে লোকসভায় তৃণমূলের সহকারী দলনেত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্ব— বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শতাব্দী যে তলে তলে কলমকেও শান দিচ্ছিলেন, তার প্রমাণ মিলল এই অনুষ্ঠানে। কেবল পাঠ নয়, তাঁর বাচনভঙ্গি এবং পরিবেশনার বৈচিত্র্য ছিল চোখে পড়ার মতো। কবিতার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে মঞ্চের সাজসজ্জা, আবহ সঙ্গীত এবং গানের সঠিক প্রয়োগ অনুষ্ঠানটিকে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছিল। তাঁর কবিতাগুচ্ছে উঠে এল প্রেম, বিরহ, সমসাময়িক সমাজ এবং বিচিত্র সব আবেগ। মঞ্চের সাজসজ্জা থেকে শুরু করে আবহ সঙ্গীত ও গানের সুনিপুণ প্রয়োগ প্রতিটি কবিতাকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছিল।

অনুষ্ঠান শেষে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। এদিনের অনুষ্ঠানে এসে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘তুমি আমি আর কবিতা’। শতাব্দী রায়ের লেখা কবিতা ও উপস্থাপনা। শিশির মঞ্চে। নায়িকা, শিল্পী, পরিচালক, রাজনীতিবিদ, সাংসদ, লোকসভায় তৃণমূলের সহকারী দলনেতা- এতগুলি সফল ভূমিকার পাশাপাশি শতাব্দী কবি, লেখক। কবিতাগুচ্ছ বহুমুখী আবেগের। উপস্থাপনা বৈচিত্রময়। মঞ্চ, আবহ, গানের প্রয়োগ মানানসই। শতাব্দীর এমন শো আবার হোক।

অন্যদিকে এদিন শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ-অভিনেত্রী-কবি শতাব্দী রায়ের একসময়ের সহ অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। একসময়ে একসঙ্গে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন দুজনে। আজ তিনি শ্রোতার জায়গায়। এদিন কবিতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে অভিনেতা বলেন, শতাব্দীর কবিতাজীবনের সঙ্গে আমি পূর্বপরিচিত। একসঙ্গে অনেক ছবি করেছি, ছবি করতে বাইরেও গিয়েছি। অভিনয়ের মাঝে মাঝে ও কবিতা লিখতো, পড়ে শোনাতো। এখন অনেক ম্যাচিওর। অনেক সুন্দর সুন্দর কবিতা লিখছে। ভালো লাগলো। আরও এরকম অনুষ্ঠান হোক।

আরও পড়ুন- বিরাট গরমিল কমিশনের তথ্যে: আচমকাই কমে গেল ৬০ লক্ষ ভোটার!

_

_

_

_

_
_

