বিজেপি রাজ্যে নারী সম্মানের তলানিতে থাকা অবস্থা কারো অজানা নয়। বাংলাতে কিছু আসন জিততে বঙ্গ বিজেপির নেতারা সেই নারী নির্যাতন আর ধর্ষণের সুযোগ সন্ধান করে বেড়াচ্ছে। নদিয়ার শান্তিপুরে (Santipur) বিধবা এক মহিলার ধর্ষণের (rape) ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের চরিত্র তুলে ধরল বাংলার শাসকদল তৃণমূল। পার্টি অফিসে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগে তৃণমূল সোশ্যাল মিডিয়া সেল ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য (Debangshu Bhattacharya) প্রশ্ন তোলেন, এরপরেও ১৭৭ আসনের ডাক দেওয়া বিজেপি সেই পরিমাণ আসন জিতলে কী অবস্থা হবে এই রাজ্যের?

নদিয়ার শান্তিপুরের বাসিন্দা এক মহিলা শান্তিপুর থানায় অভিযোগ জানান, তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পরে মৃত্যুর যাবতীয় প্রমাণপত্র পেতে ডাকা হয় তাঁকে। সেখানেই বিজেপির তিন নেতা প্রথমে তাঁকে পিছন থেকে জাপটে ধরে। সেখানেই তাঁর উপর বলপ্রয়োগ করে ধর্ষণ করা হয়। তিনি প্রবল অসুস্থ বোধ করে কোনওমতে পালিয়ে আসেন।

পাশাপাশি তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়, যদি এই ঘটনা কাউকে তিনি জানান, তবে তিনি তাঁর মৃত স্বামীর কোনও নথিই পাবেন না। সম্পত্তি থেকেও বঞ্চিত হবেন। বর্তমানে ওই নির্যাতিতা কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি। তিনি শান্তিপুর থানায় (Santipur police station) অভিযোগও দায়ের করেন।

এরপরই সরব তৃণমূল। দেবাংশু অভিযোগ করেন, নদিয়ার শান্তিপুরে এক মহিলাকে নিজেদের পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর এবং ধর্ষণের ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে জেলা বিজেপির এক সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে। সেই মহিলা শান্তিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এখনই বিজেপির পার্টি অফিসগুলো (BJP party office) উত্তরপ্রদেশ মডেল ফলো করা শুরু করেছে? ৭৭ আসন পেয়েই যাদের এই দুঃসাহস, তারা ১৭৭ করার ডাক দিচ্ছে..!! পরিণতি অনুমেয়!

আরও পড়ুন : বিজেপির প্রচারের দায়িত্বে ‘গণশক্তি’! প্রথমপাতার ছবি দিয়ে তীব্র খোঁচা কুণালের

যদিও এরকম কোনও ঘটনা জানা নেই বলে দাবি করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে ঘটনায় যথাযথ তদন্ত হওয়া দরকার। দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে দল খোঁজ নেবে।

–

–

–

–



