ঠিক বিয়াল্লিশেই জলে ডুবে মৃত্যু! আর তার বহু আগেই ২০১৮ সালে নিজের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা নিজেই লিখেছিলেন রাহুল। ইতিমধ্যেই প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral in Social Media) হয়েছে তাঁর লেখা প্রবন্ধের অংশ। তা দেখে হতবাক নেট পাড়া। কল্পনার মৃত্যুকে যে ভাবে বাস্তবে মিলালেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunoday Banerjee), তা নিছক কাকতালীয় নাকি অলৌকিক কোনও যোগ আছে?

২০১৮ সালে ‘আর্টিস্ট ফোরাম’-এর ‘বাতায়ন’ পত্রিকায় লেখা রাহুলের লেখা একটি প্রবন্ধ। যার নাম ছিল ‘বান্ধবীরা’। তাতে মৃত্যুর পর কেমন অনুভব করছেন রাহুল তা লিখেছিলেন নিজেই। “মৃত্যুর পর নিজেকে বেশ রাজকীয় লাগছে আমার। এমনিতেই মৃত্যুটা বেমক্কা হয়েছে। পাড়ার দুর্গাপুজোর ভাসান ছিলো। শেষ সিঁড়িটা মিস করেছি। বিয়াল্লিশ তো যাওয়ার বয়স নয়। বেরিয়ে এলাম জল থেকে। শরীর অবশ্য় অন্যরা তুলছে। শরীরটা এখন ক্লাবঘরে রাখা।” যদিও লেখার মধ্যে অনেক অসঙ্গতি আছে। তবুও বিয়াল্লিশে জলে ডুবে মৃত্যুকে মেলালেন তিনি। আরও পড়ুন: গ্যাং ওয়ারে রক্তাক্ত হাইতি! গুলি ও বোমাবাজিতে মৃত ৭০, আহত ৩০

তবে রাহুলের লেখা বেশ কিছু নাটকেও নিজের মৃত্যুকে সহজভাবে সামনে আনেন রাহুল। যে গল্প নিয়ে নাটক তৈরি হয়েছিল ‘যে জানালাগুলোর আকাশ ছিল’। নাটকটি পরিচালনা করেন সৌরভ পালোধি। নাটকের গল্পেও চার বন্ধুর মধ্যে মারা যাচ্ছেন রাহুল অভিনীত চরিত্রটি। এছাড়াও, রাহুলের ফেসবুক প্রোফাইলে লেখা চন্দ্রবিন্দুর সেই গানের লাইন, “আমরা কমতি পড়লে লোন দিই জন্মদিন।”

জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ভোলে বাবা পার করেগা’-এর আউটডোর শুটিং-এ তালসারিতে গিয়েছিলেন রাহুল। সেখানেই রহস্যজনকভাবে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এরপর ধোঁয়াশা আর বেশ কিছু পরস্পর বিরোধী প্রশ্ন সামনে এসেছে। যা নিয়ে টলিউড থেকে নেট পাড়াতে অভিনেতাদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

–

–

–

–

–

–
