বিধানসভা নির্বাচনে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি ঘটা করে নিজের প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম প্রার্থী তালিকা (candidate list) প্রকাশ হওয়ার পরে মিলে গিয়েছিল সেই দাবি। প্রাক্তন সভাপতি নির্বাচনে লড়লে বর্তমান সভাপতিকেও যেন নির্বাচনের ময়দানে নামতেই হয়। এবার কংগ্রেসের দ্বিতীয় তালিকায় জায়গা পেলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার (Subhankar Sarkar)। হুগলির শ্রীরামপুর (Sreerampur) থেকে তিনি প্রার্থী কংগ্রেসের।

বুধবারই প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর বিধান ভবনে প্রার্থী বিক্ষোভ আছড়ে পড়ে। কলকাতার বালিগঞ্জ থেকে হাওড়া, মেদিনীপুরের কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। সেখানে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারকেও (Subhankar Sarkar)। অনেক কর্মী দাবি করেন, অধীর চৌধুরি (Adhir Chowdhury) থাকাকালীন এই বঞ্চনার শিকার তাঁরা কখনও হননি। সেই বিক্ষোভের আবহেই এবার দ্বিতীয় তথা শেষ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা জাতীয় কংগ্রেসের। সেখানে রয়েছে ১০টি আসনের প্রার্থীদের নাম।


রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল কর্মী বিক্ষোভে জেরবার হয়ে এখনও ৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি। সেখানে রবিবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা শুরু করে বুধবার তা সম্পূর্ণ করে ফেলল কংগ্রেস। দ্বিতীয় তালিকায় যেমন শুভঙ্কর সরকারের (Subhankar Sarkar) নাম রয়েছে, তেমনই রয়েছে বর্ষীয়ান নেতা মনোজ চক্রবর্তীর (Monoj Chakraborty) নামও। তিনি লড়াই করছেন মুর্শিদাবাদের সাগরদীঘি আসন থেকে। অন্যদিকে মালদহের গাজোলে প্রার্থী ঘিরে অশান্তি হয়েছিল। সেই কেন্দ্রে প্রার্থী সঞ্জয় সরকারকে সরিয়ে প্রেম চৌধুরির নাম ঘোষণা করা হল।

আরও পড়ুন : সোমেন-পুত্রকে প্রার্থী করা নিয়ে ধুন্ধুমার বিধান ভবনে: ফাটল কংগ্রেস কর্মীর মাথা

যদিও বুধবার বালিগঞ্জের প্রার্থী রোহন মিত্রকে নিয়ে বিক্ষোভ হলেও তাঁকে পরিবর্তন করেনি জাতীয় কংগ্রেস। সেরকমই পশ্চিম মেদিনীপুর, আলিপুরদুয়ারে বিক্ষোভের কোনও প্রভাব দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকাতে বদল দেখা গেল না। তবে প্রথম দফার মনোনয়ন জমা শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে আর দেরি করারও উপায় ছিল না কংগ্রেসের।

–

–

–

–
