পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে নাজেহাল মোদি সরকার। এই পরিস্থিতিতে হয়রানি শুধুই সাধারণ মানুষের। দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো যেভাবে বিরাট প্রশ্নের মুখে পড়েছে এই পরিস্থিতিতে, তার জন্য প্রশাসনের সব দফতরের সমন্বয় প্রয়োজন, এ কথা বুঝতে পেরেই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ফের একবার কেন্দ্রের একাধিক মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ক্ষেত্রেও ভারতের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়।

বুধবার নতুন অর্থবর্ষের প্রথম দিনই জ্বালানির (fuel) ক্ষেত্রে ব্যাপক বিপর্যয়ের মুখে গোটা দেশ। রান্নার গ্যাস থেকে পেট্রোল, এমনকি প্রাকৃতিক গ্যাসের (natural gas) দাম বেড়ে গিয়েছে। যার প্রভাব পরিবহন থেকে সাধারণ মানুষের হেঁসেলে। নতুন করে কিভাবে জ্বালানির ঘাটতি (fuel crisis) মেটানো সম্ভব, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত দিশা দেখাতে পারেনি নরেন্দ্র মোদি সরকার।

তবে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির (fuel price hike) ফলে যাতে অন্যান্য দফতরগুলি ও প্রশাসনের অন্যান্য ক্ষেত্রগুলিতে সমস্যা না হয়, তার জন্য বৈঠক ডাকেন নরেন্দ্র মোদি। অর্থমন্ত্রী থেকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পঞ্চায়েতমন্ত্রী, রেলমন্ত্রী, বিমান পরিবহনমন্ত্রী থেকে সাধারণ পরিবহনমন্ত্রীও গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে বুধবার উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন : একধাক্কায় ১২ টাকা ২৮ পয়সা দাম বাড়ল অটোর গ্যাসের, ভাড়া বৃদ্ধির পথে চালকরা!

বৈঠকে মূলত আলোচনা হয়, শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারতের কাছে প্রচুর পরিমাণ কয়লা মজুত রয়েছে। যার ফলে জ্বালানির অভাব হবে না। সেইসঙ্গে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং দেশের নিরাপত্তার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। বুধবার আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডসহ বেশ কিছু দেশ ইরানের বিরুদ্ধে এমন পথে চলেছে যেখানে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। হরমুজ দীর্ঘমেয়াদী পথে অবরুদ্ধ থাকলে তার মোকাবিলায় আগে থেকে তৎপরতা শুরু মোদি সরকারের।

–

–

–

–
–
