বাংলা নির্বাচনের আগে অতিসক্রিয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রী বাদে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rujira Banerjee)-সহ তৃণমূল (TMC) সব নেতা-মন্ত্রীদের গাড়ি তল্লাশির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে তৃণমূলের তরফে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়ালের লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে লেখা হয়েছে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর স্ত্রীকে টার্গেট করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

তৃণমূলের অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন এবং মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনকী দিনে-দুপুরে তাঁর গাড়ি তল্লাশি করার জন্য ফ্লাইং স্কোয়াডকে (FST) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ঘাসফুল শিবির। গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করে শাসকদল বলে, “অথচ সেই একই কমিশন অপরাধমূলক নীরবতা পালন করে যখন বিজেপি নেতারা হিসাববিহীন টাকাসহ হাতে-নাতে ধরা পড়েন। কেন এই বেছে বেছে প্রতিহিংসামূলক অভিযান? বিজেপি নেতা এবং তাদের আশ্রিত ব্যক্তিদের উপর কেন একই মাত্রার কড়া নজরদারি করা হচ্ছে না?”

মোদি-শাহকে নিশানা করে তৃণমূল প্রশ্ন তোলে, ”নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের গাড়িবহরকে বাংলায় পাচার হওয়া অবৈধ টাকার জন্য কেন থামিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে না? কোন জাদুকরী সুরক্ষা তাদের রক্ষা করে?” এর পরেই কমিশনকে নিশানা করে স্যোশাল মিডিয়ায় লেখা হয়, ”কিছুই না, শুধু এই সত্যটি ছাড়া যে নির্বাচন কমিশন তাদের ব্যক্তিগত পোষ্য হয়ে উঠেছে।”

কমিশনের কাছে তৃণমূল তিনটি আবেদন,
১) এই নির্দেশের নেপথ্যে কারা রয়েছেন, অভ্যন্তরীণ তদন্ত করে তাঁদের চিহ্নিত করা।
২) হোয়াট্সঅ্যাপ-নির্দেশের প্রেক্ষিতে তৃণমূল নেতাদের যাতে হেনস্থা না-করা হয়, তা সুনিশ্চিত করা
৩) নির্দেশ পাঠানোয় অভিযুক্ত আধিকারিকদের নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরানো।

–

–

–

–
–
–

