এভাবেও ফিরে আসা যায়! পিছিয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল(East bengal) খোঁচা খাওয়া বাঘ। এই মিথটা আরও একবার সত্য প্রমাণ করলেন অস্কার ব্রুজোর দল। পিছিয়ে থেকেও মানরক্ষা। আইএসএলে(ISL) ঘরের মাঠে বেঙ্গালুরুর (Bengaluru FC) বিরুদ্ধে ৩-৩ গোলে ড্র ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal)।

প্রয়াত অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে টিফো ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের।সেখানে লেখা
গ্যালারির আকাশে এক বিষন্ন সূর্যোদয় লাল হলুদের হৃদয়ে অমর অরুণাদায়।
৩-৫-২ ছকে দল নামান কোচ অস্কার।
উত্তেজনাপূর্ন প্রথম ৪৫ মিনিট। তিন গোল ,লাল কার্ড, হলুদ কার্ড এক কথায় খেলার মেজাজ ছিল চড়া।
খেলার ১১ মিনিটে প্রথম গোল করে বেঙ্গালুরু। আশিকের দূরপাল্লার শটে পরাস্ত হলেন গিল। দর্শনীয় গোল করলেন আশিক। যদিও খেলায় ফিরতে বেশি দেরি করেনি ইস্টবেঙ্গল।২০ মিনিটে সমতা ফেরালেন আনোয়ার। মিগুয়েলের কর্নার থেকে ব্যাক ভলিতে গোল করলেন আনোয়ার ।
গোলের পরই ম্যাচে উত্তেজনা ছড়াল। মিগুয়েল আক্রমন করেন আশিককে সেটা বেঙ্গালুরুর ডাগ আউটের সামনে। মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই দলের ফুটবলারদের মতো কোচ সহকারীরাও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন। ফল স্বরূপ লাল কার্ড দেখলেন মিগুয়েল হলুদ কার্ড দেখলেন অস্কার। চাপে পড়ে গেল লাল হলুদ । মিগুয়েল ফেরার পথে বল লাঠি মেরে পাঠালেন বেঙ্গালুরু ডাগ আউটে।
১০ জনের ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াল বেঙ্গালুরু। ৩৮ মিনিটে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দিলেন সুরেশ। প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে সাজ ঘরে ফেরে সুনীলরা।

১০ জন হয়ে গেলেও লড়াই ছাড়েনি ইস্টবেঙ্গল। ৫৫ মিনিটে নিজের জোনে ফ্রিক পেলেও কাজে লাগাতে পারলেন না সুনীল। পিছিয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল খেলায় ফিরল ৫৬ মিনিটে। দুরন্ত গোল করলেন ক্রেসপো। চেগে উঠল লাল হলুদ গ্যালারি। তিন পরিবর্তন করলেন অস্কার। কিন্তু ৭২ মিনিটে দুরন্ত ফিনিস করে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দিলেন। ম্যাচের ফল ৩-২।

কিন্তু পিছিয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল যেন খোঁচা খাওয়া বাঘ। ম্যাচের শেষ মিনিটে আন্টন গোল করে সমতা ফেরালেন।

তিন বার পিছিয়ে থেকেও এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল লাল হলুদ। রেফারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ লাল হলুদ। ৮ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে থাকল লাল হলুদ।

–

–

–
–
–
