একের পর এক নিত্য নতুন, অসামান্য পদক্ষেপ বাংলার বিধানসভা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন। এমনকি কোথাও কোথাও নিজেদের গাইডলাইনও ভাঙছে কমিশন। রাজ্যের অধ্যাপকদের নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ভর্ৎসনার মুখে নির্বাচন কমিশন (ECI)। তাহলে এবার বিচারপতিদের প্রিসাইডিং অফিসার (presiding officer) হিসাবে নিয়োগ করুন, কটাক্ষ বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর।

চলতি নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক ভোট কর্মী লাগবে, এমন দাবি করেই এবারে অধ্যাপকদেরও বিভিন্ন পদে প্রশিক্ষণ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অধ্যাপকরা মূলত মাইক্রো অবজার্ভারের (micro observer) প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। অথচ নিয়োগপত্রে তাঁরা দেখছেন তাদের ভোটের প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করা হচ্ছে। এই নির্দেশের বিরোধিতায় বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) ১০০ অধ্যাপক কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

হাইকোর্টে অধ্যাপকদের সওয়াল তাঁরা পদমর্যাদায় সরকারি গ্রুপ-এ কর্মী। প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে তাঁদের নিয়োগ করা হলে তাঁরা কাজ করবেন একজন বিডিওর (BDO) অধীনে। সেক্ষেত্রে অধঃস্তনের অধীনে কিভাবে কাজ করতে পারেন অধ্যাপকরা, সেই প্রশ্নই কলকাতা হাইকোর্টে তোলা হয় বৃহস্পতিবার।

আরও পড়ুন : কেরালমের ভোট পরিসংখ্যান কোথায়: নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কমিশনে তৃণমূল

অধ্যাপকদের প্রশ্নের সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশন কার্যত কোনও যুক্তি দেখাতে পারেনি। কমিশনের তরফে দাবি করা হয়, অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ না করলে নির্বাচনই না কি করা সম্ভব নয়। এরপরই শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তোলেন কমিশনের পদক্ষেপ নিয়ে। যে কর্মী সংখ্যার যুক্তি কমিশন (ECI) দেখায় তাতে বিচারপতির মন্তব্য, এবার তাহলে বিচারপতিদেরও প্রিসাইডিং অফিসার (presiding officer) হিসাবে নিয়োগ করুক কমিশন। শুক্রবার মামলার পরবর্তী শুনানি।

–

–

–
–
–
