তৃণমূলের ভোট পরিচালন সংস্থা আইপ্যাকের কলকাতা অফিসে ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ED অভিযান সংক্রান্ত মামলায় এবার সিবিআই হস্তক্ষেপের দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বুধবারের পর এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম আদালতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল রাজ্য। বৃহস্পতিবার শুনানি শুরু হতেই কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তথা ইডির আইনজীবী তুষার মেহতা (Tushar Mehta) পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে বলে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রাজ্য তরফে আগের দিন বলা হয়েছিল তদন্তের ক্ষমতা ইডির মৌলিক অধিকার হতে পারে না। পাল্টা জবাব এদিন তুষার বলেন যেহেতু কেন্দ্রীয় এজেন্সির অফিসাররা ভারতীয় নাগরিক, তাই তাঁরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা চাইছেন।

এদিন শুনানিতে ইডির আইনজীবী বলেন, ‘‘তল্লাশি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ এবং আইনসম্মত ভাবে চলছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি, পুলিশ কমিশনার-সহ প্রায় ১০০ জন পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করেন।’’এরপরই রাজ্যসভার বর্তমান তৃণমূল সাংসদ রাজীব কুমারের পুরনো একটি মামলার প্রসঙ্গ টেনে আনেন কেন্দ্রের আইনজীবী। বিরোধিতা করে রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী জানান, কেন্দ্রের আইনজীবী অনির্বাচিত রাজার মতো আচরণ করছেন। রেইড চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট ঘটনাস্থলে প্রবেশ করার সময় বিজেপি ও পুলিশ কমিশনারের উপস্থিতি অনেকটা ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীর মতো হয়ে দাঁড়ায় বলেও যুক্তি খাড়া করার চেষ্টা করেন তুষার মেহতা। ইডি বলে, ‘‘টাকা নয়ছয় এবং জনগণের সম্পত্তি নিয়ে দুর্নীতি যাঁরা করেছেন, তাঁদের শাস্তি দেওয়ার জন্য মৌলিক অধিকার ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। সংবিধানের ১৪ এবং ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই তদন্ত হওয়া উচিত।’’ এরপরই ED আইনজীবী বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তৎকালীন ডিজিপি ও সিপির বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি করেন।
–

–

–

–

–

–
–
–
