অশান্তি ঠেকাতে দেখা মিলছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। আক্রান্ত হচ্ছেন প্রার্থীরাও। সেখানে যেন একমাত্র বুথ আগলানোই কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force)। তাও সেটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের বুথের বাইরে রেখে। বৃহস্পতিবার ভোট শুরু হওয়ার দীর্ঘক্ষণ পরে এমনই অভিযোগ উঠে এলো বীরভূমের সিউড়ি (Suri) বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে (TMC agent) বুথে ঢুকতে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী, অভিযোগ দলীয় এজেন্টের।

নির্বাচনে বিজেপিকে জেতাতে যেভাবে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে, একই কাজ করছে কেন্দ্রীয় একাধিক বাহিনী, আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত প্রথম দফার নির্বাচনে সেটাই প্রমাণিত হল বীরভূমের সিউড়িতে। তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন রমারঞ্জন চট্টোপাধ্যায় নামে এক দলীয় কর্মী। স্থানীয় মহকুমা শাসক যে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে এজেন্টদের (TMC agent) বুথে থাকার অনুমতি দেন, সেভাবেই প্রশাসনের অনুমতি পত্র নিয়ে বুথে (polling booth) গেলে তাঁকে ঢুকতে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)।
আরও পড়ুন : কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘দাদাগিরি’: চোপড়ায় বিজেপিকে ভোট দেওয়ার নির্দেশ! বৃদ্ধা-যুবককে মারধরের অভিযোগ

এরপরই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন ওই তৃণমূল এজেন্ট। তাঁর দাবি, বৈধ অনুমতিপত্র থাকা সত্ত্বেও বুথে ঢুকতে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এরপর তৃণমূল এজেন্টের অনুপস্থিতিতে ভোটে কারচুপিতে সাহায্য করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, এমনই অভিযোগ করেন ওই তৃণমূল এজেন্ট। মহকুমা শাসক থেকে শুরু করে পুলিশ পর্যবেক্ষককে (police observer) অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। দুপুর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি তৎপরতায় বুথে (polling booth) ঢুকতে পারেননি ওই তৃণমূল এজেন্ট।

–

–

–

–
–
–
