সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) অতিসক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ আদালত। বৃহস্পতিবার, ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে থেকে মোটরবাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকে ‘অযৌক্তিক’ বলেই কটাক্ষ করে কমিশনকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও (Krishna Rao) বলেন, “অযথা সবকিছু থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে”। সরাসরি কমিশনকে নিশানা করে বিচারপতি বলেন, “আপনারা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। যে হেতু ভোটের সময়ে আপনাদের ক্ষমতা বা এক্তিয়ার আছে। এটা অন্যায়। অন্য রাজ্যে কোথায় এমন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে দেখান। নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আছে বলে যা খুশি করা যায় না।“

এদিন শুনানিতে কমিশনের যুক্তি নিয়েই সরাসরি প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, পরিস্থিতি যদি এতটাই গুরুতর হয়, তাহলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হচ্ছে না কেন? শুধু বাইক বন্ধ করে কীভাবে গোলমাল আটকানো সম্ভব? একইসঙ্গে গত পাঁচবছরে বাইককে কেন্দ্র করে কতগুলি এফআইআর (FIR) হয়েছে এবং বাস্তবে এমন ঘটনার নজির কতটা রয়েছে- তার বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় কমিশনকে (Election Commission)।
হাইকোর্ট বলে, শুধুমাত্র ২৪ ঘণ্টার জন্য এই নিয়ম থাকলে তাও মেনে নেওয়া যেত কিন্তু ৭২ ঘণ্টা ধরে এই ধরনের নিয়মে সাধারণ মানুষদের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিচারপতির কথায়, পুলিশ ও নজরদারির মতো একাধিক ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এভাবে সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া আসলে ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা বলেই মনে হচ্ছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আরও খবর: কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তা! বৈধ নথি সত্ত্বেও তৃণমূল এজেন্টকে ঢুকতে বাধা

বিচারপতি আরও বলেন, “আপনারা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। যে হেতু ভোটের সময়ে আপনাদের ক্ষমতা বা এক্তিয়ার আছে। এটা অন্যায়। অন্য রাজ্যে কোথায় এমন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে দেখান। নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আছে বলে যা খুশি করা যায় না।“

–

–

–

–
–
–
