বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে (WBLA 2026) নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীর (Subhendu Adhikari) জয় মেনে নিতে না পেরেই তাঁর আপ্তসহায়ককে পরিকল্পিতভাবে খুন! চাঞ্চল্যকর দাবি বিদায়ী বিরোধী দলনেতার।পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয়েছে শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে (Chandranath Rath)। খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চন্দ্রনাথের ময়নাতদন্ত করা হয়। হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বলেন, ভবানীপুর কেন্দ্রের দায়িত্ব ছিল চন্দ্রনাথের উপরে। বিজেপি ওই সিট জিততেই বিরোধীদের রোষের শিকার হতে হল তাঁর আপ্তসহায়ককে। এর বিচার হবে। প্রতিমুহূর্তে ডিজির সঙ্গে কথা হচ্ছে, রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা রয়েছে বলেও এদিন জানান শুভেন্দু।

বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে দোহারিয়ার শৈলেশনগরের যে গলিতে চন্দ্রনাথকে গুলি করা হয় সেটি খুব একটা চওড়া নয়। তদন্তে নেমে পুলিশের অনুমান এই অপরাধ সংগঠিত করার আগে যথেষ্ট রেইকি করা হয়েছিল। বিজেপি তরফ থেকে বারবার অভিযোগ করে বলা হচ্ছে যেহেতু শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রের মতো হাই ভোল্টেজ আসনে জিতেছেন সেটা বিরোধীরা মেনে নিতে পারিনি। সেই কারণেই বদলা নেওয়ার জন্য চন্দ্রনাথকে টার্গেট করা হল। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই শুভেন্দুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন নীতিন নবীন ও অমিত শাহ। বিদায়ী বিধায়ক জানিয়েছেন, রাজ্য পুলিশ পারেনা এমন কোনও কাজ নেই। তাই তাদের উপরেই আস্থা রাখছেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, ‘SIT গঠন করা হয়েছে শুনেছি। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাই তদন্তের ব্যাপারে যা বলার পুলিশ বলবে। আমার মনে হয় একটু অপেক্ষা করা উচিত।’
চন্দ্রনাথ রথের হত্যার তদন্তে গঠিত SIT- তে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের পাশাপাশি সিআইডি-র আধিকারিকেরাও রয়েছেন। তবে কোন আধিকারিকেরা এই তদন্তকারী দলে রয়েছেন, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। যে স্টিল কালারের গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ি আটকেছিল সেটিকে যাতে ট্র্যাক করা না যায় সেই কারণে ঘটনাস্থলেই গাড়ি রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে শিলিগুড়ির রেজিস্ট্রেশনের গাড়ির নম্বর প্লেট ব্যবহার করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুমান। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

–

–

–

–

–
–
