আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath) মৃত্যুর পিছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর (Subhendu Adhikari)। রীতিমতো রেইকি করে খুন করা হয়েছে বলে মন্তব্য বিদায়ী বিরোধী দলনেতার। মধ্যমগ্রামের ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা জানতে রাজ্য পুলিশে আস্থা রাখছেন শুভেন্দু। স্পষ্ট জানালেন, চন্দ্রনাথের মৃত্যুর বিচার হবে। তবে এই ঘটনায় কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি আক্রমণের পথে হাঁটতে দেখা গেল না তাঁকে। তাহলে কি অন্য কারণে খুন হলেন শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক? প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।


জনবহুল রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে গুলি করে খুন করা হয় চন্দ্রনাথকে। বুধবার রাত ৯টার পরে যশোর রোড দিয়ে এয়ারপোর্টের দিক থেকে নিজের গাড়িতে মধ্যমগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক। গাড়িতে চন্দ্রনাথ ছাড়া ছিলেন তাঁর গাড়ির চালক। দোহাড়িয়া ট্রাফিক সিগনালের কাছে তাঁদের গাড়িটি কোনও কারণে দাঁড়ায়। সেই সময়ই চারটি বাইক ঘিরে ধরে গাড়িটি, দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। এরপরই এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় তাঁকে লক্ষ্য করে। রাতেই হাসপাতালে যান শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা। বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘হৃদয়বিদারক ঘটনা। আমাদের জনপ্রতিনিধিদের কিছু মানুষের উপর নির্ভর করতে হয় যাঁরা অরাজনৈতিক। এইরকম একজনকে টার্গেট করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা আইজি ও এডিজিকে নিয়ে এসে দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেছে ক্লু পাওয়া গিয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপির সব কর্মীদের অনুরোধ কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না।’ শুভেন্দু এও বলেন, দু-তিন দিনের মধ্যে বিজেপি রাজ্য সরকার গড়বে। কেউ বিচারহীন থাকবে না।
