প্রত্যাশা ছিল প্রথম দশের মধ্যে থাকার, কিন্তু অভাবনীয় সাফল্যে রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করে চমকে দিল সিউড়ির প্রিয়তোষ মুখার্জী (Priyatosh Mukherjee)। মাধ্যমিকের ফল (Madhyamik Result) প্রকাশ হতেই শুক্রবার খুশির হাওয়া সিউড়ি ডাঙ্গালপাড়া এলাকায়। সরোজিনী দেবী সরস্বতী শিশু মন্দিরের এই ছাত্রের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬। প্রিয়তোষের বাবা আশুতোষ মুখোপাধ্যায় পেশায় অবসরপ্রাপ্ত ইতিহাস শিক্ষক এবং মা সোমাগিরি মুখার্জি ইংরেজির শিক্ষিকা। বাড়িতে শিক্ষক বাবা-মায়ের সান্নিধ্য এবং গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানেই এই সাফল্য বলে জানায় প্রিয়তোষ। তবে তার বাবার মতে, এই সাফল্যের আসল চাবিকাঠি প্রিয়তোষের বইয়ের প্রতি ভালোবাসা। উপহার হিসেবেও সবসময় বই-ই পছন্দ তার। প্রিয়তোষের কথায়, “মানুষের জীবন গড়ার কারিগর হলো পুঁথিগত বিদ্যা।”

ছেলের সাফল্যে গর্বিত মা সোমাগিরি দেবী জানান, অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই প্রিয়তোষ নিজের লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জামের প্রতি তার প্রবল টান। ভবিষ্যতে আইআইটি থেকে পাস করে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় সে। অবসর সময়ে পুরনো দিনের গান শুনতে পছন্দ করে প্রিয়তোষ। আজকের দিনে মেধা তালিকায় নাম থাকা পড়ুয়াদের মধ্যে যখন কলকাতার নামী স্কুলে ভর্তি হওয়ার হিড়িক দেখা যায়, তখন উল্টো পথে হাঁটছে প্রিয়তোষ। ‘আধুনিকতার গড্ডলিকা প্রবাহে’ গা ভাসাতে নারাজ সে। নিজের শহর সিউড়িকে ভালোবেসে স্থানীয় কোনো সরকারি স্কুল থেকেই উচ্চমাধ্যমিক শেষ করতে চায় এই মেধাবী ছাত্র।
–

–

–

–

–

–
–
–
