ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার তৃণমূল কর্মীরা- অভিযোগ তুলে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। স্যোশাল মিডিয়ায় (Social Media) একের পর পোস্ট করে দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার, সমাজমাধ্যমে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের ছবি পোস্ট করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কটাক্ষ করে লেখেন, “এই লজ্জাজনক নীরবতার মধ্যেই সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত বিজেপির হিংসা, প্রতিহিংসা এবং চরম নৈরাজ্যের রাজনীতির শিকার হচ্ছেন।”
নদিয়ার (Nadia) চাকদহের হাই স্কুল পাড়ায় তপন শিকদার নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূল করার জন্যেই তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় গোবিন্দ দাস নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি সপ্তগ্রামে সোমনাথ আচার্যর মৃত্যুর ঘটনায় খুনের অভিযোগ তুলে সরব তৃণমূল। সোমনাথ তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি দলের নেতৃত্বের। এই দুই মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সমাজমাধ্যমে গর্জে উঠলেন অভিষেক।

নিজের ফেসবুক পেজে অভিষেক (Abhishek Banerjee) লেখেন,
“মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, অথচ ন্যায়বিচারের জন্য প্রতিটি আর্তনাদই বধিরদের কাছে যাচ্ছে।
আমাদের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী- সোমনাথ ভট্টাচার্য (সপ্তগ্রাম এসি, পোলবা-দাদপুর ব্লক) এবং তপন শিকদার (চাকদহ এসি, চাকদহ ব্লক) – রাজ্য বিজেপি-র মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীদের হাতে নৃশংসভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গুরুতর আঘাতের কারণে দুজনেই মৃত্যুবরণ করেছেন।
শোকাহত পরিবারগুলি একটি সহজ কিন্তু ভয়ঙ্কর প্রশ্ন তুলেছে – বিজেপি-র শাসনকালে বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করা কি এখন আক্রমণ, নিপীড়ন এবং মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানায়?“
আরও খবর: চন্দ্রনাথ খুনের তদন্তে সিবিআই, আজই রাজ্যের থেকে দায়িত্ব নেবে কেন্দ্রীয় সংস্থা

এর পরে নাম করে অভিষেক লেখেন,
“পুলিশ – নিষ্ক্রিয়।
আদালত – নীরব দর্শক।
বিজেপি নেতারা – উদযাপনে ব্যস্ত।
প্রধানমন্ত্রী – তাঁর পরবর্তী বিদেশ সফরের পরিকল্পনা করছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – পুরোপুরি অনুপস্থিত।
আর এই লজ্জাজনক নীরবতার মধ্যে সাধারণ মানুষ বিজেপির হিংসা, প্রতিহিংসা ও চূড়ান্ত আইনশৃঙ্খলার অবনতির শিকার।“

–

–

–

–
–
—
