বিজেপি সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলায়। জোর করে ভোটে জেতার পর জেলায় জেলায় ভাঙচুর-অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিজেপির এই সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও বর্ধমানে সরেজমিনে সেইসব ঘটনা খতিয়ে দেখে লজ্জাজনক ঘটনাসমূহের তীব্র নিন্দা জানালেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাঁদের সাফ কথা, আমরা কর্মী ও সমর্থকদের পাশে রয়েছি। জানিয়েছি, ঘৃণা ও আইনহীনতার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।
সোমবার প্রতিমা মণ্ডলের নেতৃত্বে একাংশ সদস্য যান পূর্ব বর্ধমানের মেমারি-রায়না-খণ্ডঘোষ ও গলসিতে। এইসব এলাকার বহু দলীয় নেতা-কর্মী বাড়ি-ছাড়া। দখল করা হয়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস। কোথাও আবার তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি এলাকা ঘুরে দেখে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ জানানো হচ্ছে স্থানীয় থানায়। দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে প্রশাসনের। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় যায় সাংসদ দোলা সেনের নেতৃত্বে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। এখানে শ্রীকৃষ্ণপুর হাইস্কুলের কাছে দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। নেতৃত্বের বক্তব্য, ভয় দেখানোর জন্যই এ-কাজ করা হয়েছে। বিজেপি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। তৃণমূল শক্ত হাতে এর প্রতিরোধ করবে। তাঁরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে গুটিয়ে দেওয়া যাবে না। লড়াই হবে।

এদিন প্রতিমা মণ্ডলের সঙ্গে পূর্ব বর্ধমানে যান সামিরুল ইসলাম, বীরবাহা হাঁসদা, সুমন ভট্টাচার্য-সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। রায়না বিধানসভা এলাকার মাধবডিহির কয়েকটি গ্রামে গিয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। মাধবডিহি থানাতে গেলে পুলিশ ন্যূনতম ‘সৌজন্য’ও দেখায়নি। রায়নাতে ভয়ঙ্কর অবস্থা। আমাদের কর্মীরা গ্রামছাড়া, দোকান খুলতে পারছে না, অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। মহিলাদের ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। মেমারিতে প্রায় ৫০ জন ঘরছাড়া রয়েছেন। মেমারি ১ ব্লকের যুব সভাপতি সাবির মণ্ডল ভোটের ফল ঘোষণার পরে কীভাবে আক্রান্ত হয়েছেন, তার বিবরণ দেন অনুসন্ধানকারী দলের কাছে। উলেরা গ্রামের সরস্বতী রায়-সহ বেশ কয়েকজনের বাড়িতে হামলা চালানো হয়, মারধর করা হয়, দলীয় কার্যালয় দখল করা হয়।

আরও পড়ুন- FIR খারিজের আবেদন জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

_

_

_

_
_
_
_
