পুর কমিশনারকে হেনস্থার অভিযোগ। মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে (Baishwanor Chatterjee) তলব করল নিউমার্কেট থানার (New Market PS) পুলিশ। পাশাপাশি মেয়র পারিষদ সদস্যকে নোটিশও পাঠানো হয়েছে। তবে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি মেয়র পারিষদ। আমি শুধু অধিবেশনের হলটা খুলে দেওয়ার কথা বলেছিলাম। এই টুকু যদি বলার অধিকার যদি না থাকে, তাহলে ভারতের গণতন্ত্রের অবস্থা কী, তা বোঝাই যাচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার। ওইদিন পুর অধিবেশনে আগে কমিশনার স্মিতা পান্ডে (Smita Pandey) অধিবেশন বাতিলের নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই নির্দেশ না মেনে চেয়ারপার্সন মালা রায় বলেন, অধিবেশন বসবেই। সব কাউন্সিলরদের উপস্থিত থাকতে হবে। কিন্তু অধিবেশন কক্ষ ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় কাউন্সিলর্স ক্লাব রুমেই অধিবেশন হয়।

একই সময়ে তৃণমূল কাউন্সিলররা অধিবেশন কক্ষ খুলে দেওয়ার দাবি করেন। সেই দাবি নিয়ে মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের (Baishwanor Chatterjee) নেতৃত্বে তাঁরা সচিবের ঘরে যান। অভিযোগ, সেখানে সচিবের সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়।

ঘটনার রাতেই নিউমার্কেট থানায় সচিব ও কমিশনার অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই বৈশ্বানরকে নোটিশ পাঠিয়ে তলব করেছে পুলিশ। অভিযোগ উড়িয়ে বৈশ্বানর বলেন, “আমি মেয়র পারিষদ, আমার অধিকার আছে মত প্রকাশের। আমি শুধু বলেছি অধিবেশনের হল খুলে দিতে। এটুকু বলার স্বাধীনতাও যদি না থাকে, তাহলে গণতন্ত্রের অবস্থা বুঝে নেওয়া যায়।”
আরও খবর: ‘পাড়ায় সমাধান’ প্রকল্প বন্ধের নির্দেশ রাজ্যে! পুরসভাগুলির থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বরাদ্দ অর্থও

এদিকে রবিবার পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল স্পষ্ট জানান, কোনও সরকারি আধিকারিকের হেনস্থা বরদাস্ত করা হবে না। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ‘মিস্টার চ্যাটার্জি’-কে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন কে এই ‘মিস্টার চ্যাটার্জি’ ? তিনি কি বৈশ্বানর? তাহলে কে এবার কি গ্রেফতারের মুখে পড়তে পারেন মেয়র পারিষদ? এনিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

–

–

–
–
–
