ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে বাঙালি, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে হুগলির স্নেহাংশু

Date:

Share post:

ফুটবল বিশ্বকাপের (FIFA World Cup) মঞ্চে সুযোগ পেলেন এক বাঙালি। রেফারি বা সহকারী রেফারি নয়,ফিফার ভলান্টিয়ার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন হুগলির স্নেহাংশু দত্ত। বিশ্বকাপ ৬ থেকে ৮টি ম্যাচে ভলান্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন স্নেহাংশু।

আগামী ১২ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে বিশ্বকাপ ফুটবল(FIFA World Cup)। সেই মহাযজ্ঞের অংশ হতে চলেছেন হুগলির স্নেহাংশু দত্ত। বাংলার ছেলে হিসেবে বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়াবেন এটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা। স্নেহাংশু নিজে লিওনেল মেসির অন্ধভক্ত। এবার মেসি-রোনাল্ডো-এমবাপেদের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাবেন হুগলির বঙ্গ সন্তান।

ফিফা বিশ্বকাপের সঙ্গে এভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়ে স্নেহাংশু নিজেও গর্বিত। বরাবরই ফুটবলপ্রেমী স্নেহাংশু নিয়ম মাফিক আবেদন করেন। একের পর এক ধাপ পেরিয়ে অবশেষে ফিফা ভলান্টিয়ার নির্বাচিত হন। সারা বিশ্ব থেকে জমা পড়ে ১০ লক্ষের বেশি আবেদনপত্র জমা পড়ে। কয়েক দফা ইন্টারভিউ ও বাছাই পর্বের পর চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পান মাত্র ৬০০০ জন। প্রথমে খবরটা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।

পেশায় আইটি কর্মী স্নেহাংশুর কথায়, এমন সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো। কবে সেই মুহূর্ত আসবে এখন তারই দিন গুনছেন তিনি। এত দিন টিভির পর্দায় যাঁদের খেলা দেখেছেন তাঁদের এ বার চোখে সামনে দেখতে পাবেন।

spot_img

Related articles

ফিরলেন পরিচালকের মেয়ে: পরিবারের তরফ থেকে জানানো হল অন্তিম যাত্রার সূচি

পরিবারের তরফ থেকেই অনিবার্য কারণে বৃহস্পতিবার পরিচালক অনীক দত্তের শেষযাত্রা বাতিল করা হয়েছিল। এবার স্ত্রী সন্ধি দত্ত ও...

প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম, উদ্বেগ! পরীক্ষা-দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা অভিষেকের

প্রশ্নফাঁস, অনিয়ম, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা আর বিশ্বাসঘাতকতা। এই পঞ্চবাণে দেশের যুবসমাজকে বিদ্ধ করে চলেছে বিজেপি (BJP)। একের পর এক...

অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে কেন গোটা পরিবারের তথ্য চাওয়া হয়েছে? প্রশ্ন কুণালের

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বিকল্প নয় অন্নপূর্ণা যোজনা তা বলাই বাহুল্য। কথা ছিল ১ জুন থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১৫০০ টাকার...

মন সম্মতি দিচ্ছে না! দলনেত্রীকে চিঠি দিয়ে তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্রের পদ ছাড়লেন শান্তনু

কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুশান্ত ঘোষ (Sushanta Ghosh), অরূপ চক্রবর্তীর (Arup Chakrabotry) পরে তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। “আমার মন আর কোনও...