কলকাতা পুরসভার (KMC) ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে (Former Councillor Biswarup Dey) তারাতলার বিপর্যয়ে মানসিক কষ্টে ভুগছেন। তিনি এতটাই ব্যাথিত যে এবার প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ছেড়ে দিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ‘আমি বেইমান নই’ শীর্ষক দলীয় কর্মীসভায় যোগদান করেছিলেন। রাতে হঠাৎ করে তাঁর মনে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরে আর থাকা যায় না, অতএব পদত্যাগের সিদ্ধান্ত।

বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তারাতলা বিপর্যয়ের জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বিল্ডিং প্ল্যানে প্রাক্তন মেয়রের সইও দেখিয়েছেন তিনি। এরপর গ্রেফতার হয়েছেন ফিরহাদের প্রাক্তন ওএসডি কালিচরণ। এরপরও সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতায় আয়োজিত তৃণমূলের কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বরূপ। সেখান থেকে ফিরে রাতে হঠাৎ করে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। তারাতলা ও গার্ডেনরিচ বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জোড়াফুল শিবিরের গাফিলতির দিকে আঙুল তোলেন তিনি। এতটাই ব্যাথিত হয়েছেন যে আর দলের সঙ্গে থাকা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস ও জোড়াফুলের সঙ্গে আর নিজেকে জড়িয়ে রাখতে চাই না। যা করেছি ভুল করেছি। আগামী দিনে হয়তো তার প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।” এরপরই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তাহলে কি ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করার জন্য পদ্মফুলে যোগদান নিশ্চিত করে ফেলেছেন প্রাক্তন কাউন্সিলর, নাকি রাজনীতি ছাড়বেন – উত্তরটা হয়তো খুব দ্রুতই স্পষ্ট হয়ে যাবে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, তারাতলার ঘটনায় বিশ্বরূপ কষ্ট পেয়েছেন। আমরাও শকড। দল ছাড়ার বিষয়টা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি আমার বন্ধু স্থানীয়, সময় করে নিশ্চয়ই কথা বলব।

–

–

–

–

–

–
