মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়। মৃত বন্ধুপ্রকাশ পাল তাদের দলের সদস্য বলে দাবি করল আরএসএস। দশমীর সকালে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ, তাঁর স্ত্রী বিউটি এবং ছেলে অঙ্গন। বিউটি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। দেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয় রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র।
সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, মৃত বন্ধুপ্রকাশ পাল আরএসএস-এর কর্মী ছিলেন। আরএসএস নেতা জিষ্ণু বসুর দাবি, ওই শিক্ষক দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

এদিকে, তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন সকালে এক যুবক যান পাল বাড়িতে। তারপর কথা কাটাকাটি, চিৎকার শোনা যায় বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের। এরপরই নাকি বাড়ি থেকে ওই যুবককে ছুটে বেরোতে দেখা যায় বলে অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিলে, তারা গিয়ে তিনজনের দেহ উদ্ধার করে।
এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দার থেকে ওই শিক্ষক টাকা ধার করেছিলেন। বিউটির সঙ্গেও বন্ধুপ্রকাশের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সম্ভবত পারিবারিক অশান্তির জেরেই বন্ধুপ্রকাশ এবং তাঁর স্ত্রী, পুত্র খুন হয়েছেন। ঘটনার দিন শিক্ষকের বাড়িতে যাওয়া ওই যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

আরও পড়ুন-বামেদের সঙ্গে জোট চাই, সোনিয়ার কাছে মান্নান

