জট কাটছে না বেসরকারি হাসপাতাল আনন্দলোকে। ৩১ ডিসেম্বর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, লক-আউট নোটিশ প্রত্যাহার করা হল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তৃণমূল নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হাসপাতালের মালিক ডি কে শ্রফ। তবে একটি শর্ত দিয়েছিলেন সে সময়। তিনি বলেছিলেন হাসপাতালে দুই কর্মীকে অপসারণ করা হলে তবেই তিনি হাসপাতাল চালু রাখবেন। কিন্তু সেই দুই কর্মী হাসপাতাল ছাড়তে না চাওয়ায় হাসপাতাল চালাতে রাজি হচ্ছেন না দেব কুমার শ্রফ। বছরের প্রথম দিন সকালেই প্ল্যাকার্ড নিয়ে আনন্দলোক হাসপাতালের সল্টলেক শাখা, সামনে বসেন কর্মীরা। তাঁরা জানান, দু’মাস ধরে বেতন না পেলেও তাঁরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় হাসপাতাল চালু থাকুক এটাই চান তাঁরা। এখনও যেসব রোগী ভর্তি রয়েছেন, তাঁদের যথাযথ পরিষেবা দেবেন বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসক ও আনন্দলোকের কর্মীরা।

