ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সমীক্ষায় ডেমোক্রেটিক ইনডেক্সে ভারতের স্থান ৫৩-তে নেমে গিয়েছে। এই মর্মে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তা ছেত্রী।কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, গণতন্ত্র সূচকে ভারতের অবস্থান সম্পর্কে বিজেপি সরকার আদৌ অবগত কিনা। কারণ এ বিষয়ে বিজেপি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অস্পষ্ট। সেই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, গণতন্ত্র সূচকের তালিকায় দেশের বর্তমান অবস্থান থেকে উন্নয়নের জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সংসদীয় অধিবেশনে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ওই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ায় জন্য সময় বরাদ্দও করা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই প্রশ্নটি সরিয়ে ফেলা হল। জানা গিয়েছে, বিজেপি সরকারের তরফে রাজ্যসভার সচিবালয়ে চিঠি পাঠিয়ে ওই প্রশ্নটি সরিয়ে দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিগত বছরের বাদল অধিবেশনেও কেন্দ্র সরকারের আইন মন্ত্রককে এই একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ও প্রশ্নটি নাকচ করে দেওয়া হয়েছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এবার প্রশ্ন খারিজ করে রাজ্যসভার সচিবালয়কে জানানো হয়েছে, তারা আইন মন্ত্রককে প্রশ্নটি গ্রহণ করতে অনুরোধ করেছেন।

উল্লেখ্য, ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সমীক্ষায় ডেমোক্রেটিক ইনডেক্সে ভারতের স্থান ৫৩-তে নেমে গিয়েছে। এই মর্মে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তা ছেত্রী। বিজেপি সরকারের কাছে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, গণতন্ত্র সূচকে ভারতের অবস্থান সম্পর্কে বিজেপি সরকার আদৌ অবগত কিনা। কারণ এ বিষয়ে বিজেপি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অস্পষ্ট। সেই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, গণতন্ত্র সূচকের তালিকায় দেশের বর্তমান অবস্থান থেকে উন্নয়নের জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সংসদীয় অধিবেশনে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ওই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ায় জন্য সময় বরাদ্দও করা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই প্রশ্নটি সরিয়ে ফেলা হল। জানা গিয়েছে, বিজেপি সরকারের তরফে রাজ্যসভার সচিবালয়ে চিঠি পাঠিয়ে ওই প্রশ্নটি সরিয়ে দিতে বলা হয়েছে। বিগত বছরের বাদল অধিবেশনেও কেন্দ্র সরকারের আইন মন্ত্রককে এই একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ও প্রশ্নটি নাকোচ করে দেওয়া হয়।













