Monday, April 6, 2026

প্রকল্প শুরুই আগেই দেউচা-পাঁচামির ২২২জনকে চাকরি দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

Date:

Share post:

দেউচা-পাঁচামির জমিদাতা পরিবারের ২২২ জনকে সরকারি চাকরি ও ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আজ, বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে এই নিয়োগপত্র তুলে দেবেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, দেউচা-পাঁচামির কাজ শুরুর আগেই ২২২ জনকে মুখ্যমন্ত্রীর চাকরিতে নিয়োগ করার ঘটনা শুধু এ রাজ্যে নয়, গোটা দেশেই প্রথম এবং নজিরবিহীন।

আরও পড়ুন:রেল লাইনের ধারে উদ্ধার সিপিএম নেতার রক্তাক্ত দেহ, হাওড়ায় চাঞ্চল্য

এদিন নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ২২২ জনের মধ্যে ৫০ জনের হাতে সরাসরি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেবেন। একইসঙ্গে ভার্চুয়াল সংযোগে থাকা বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় স্থানীয় জমিদাতাদের ১৭২ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন। অর্থাৎ, সবমিলিয়ে দেউচা-পাঁচামির কাজ শুরুর আগেই চাকরি পেয়ে গেলেন ২২২ জন। এঁরা সকলেই প্রকল্পের জন্য জমি দেওয়ার লিখিত অঙ্গীকার করেই সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র ও সংশোধিত ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মত জমিদাতা পরিবারের একজন করে সদস্যদের তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী জুনিয়ার কন্সটেবল থেকে শুরু করে পুলিশের উচ্চপদে চাকরি দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

এশিয়ার বৃহত্তম এই খনি প্রকল্পের জন্য যাতে কোনওভাবেই গ্রামবাসীরা সমস্যায় না পড়েন সেদিকে বাড়তি নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাকরির পাশাপাশি সংশোধিত ক্ষতিপূরণ পাওয়ায় স্বভাবতই উৎসবের পরিবেশ দেউচা-পাঁচামিতে। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন গ্রামবাসীরাও।

Related articles

ভোট-বৈতরণী পার হতে ‘সহজপাঠ’ হাতিয়ার সিপিএমের, নিন্দা তৃণমূলের

বাংলায় ৩৫ বছর ক্ষমতায় ছিল সিপিএম (CPIM)। কিন্তু বর্তমান রাজনীতির ময়দানে কার্যত শূন্য তারা। এবার অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে...

উত্তরপ্রদেশ থেকে ২০০ গাড়ি সেনা, ইভিএম মেশিনে চিপ! সতর্ক করলেন মমতা

নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে যে পদ্ধতিতে কারচুপি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত কেন্দ্রের বিজেপি সরকার করে এসেছে, তার পর্দা...

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতেও মুক্তি নয়, পকসো মামলায় কড়া বার্তা গুয়াহাটি আদালতের

প্রেমের সম্পর্কের কথা বলে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করা যায় না। পকসো মামলার শুনানিতে এই মন্তব্য করল গুয়াহাটি হাইকোর্ট...

মানুষের কাজ যে করবে সেই প্রার্থী: নাম না করে তপন চট্টোপাধ্যায়কে নিশানা তৃণমূল সুপ্রিমোর

“কেউ কেউ আছে কাজ করবে না, কিন্তু সারাজীবন তাঁকেই প্রার্থী করতে হবে। না দল সেটা কোনওদিনই করবে না“।...