Saturday, May 16, 2026

সীমান্তে আস্ত গ্রাম তৈরির সিদ্ধান্ত চিনের! লালফৌজের নজরদারিতে চলছে নির্মাণ কাজ

Date:

Share post:

উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (LOC) কাছে এবার গ্রাম বানাচ্ছে চিন (China)। ইতিমধ্যে, লাদাখ (Ladakh) থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) পর্যন্ত ভারতীয় ভূখণ্ডে কিছুটা হলেও পিছিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লালফৌজ। আর এমন পরিস্থিতিতে উত্তরাখণ্ডে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে গ্রাম বানানোর পরিকল্পনা চিনের। ওই গ্রামে ইতিমধ্যে প্রায় ২৫০টি বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, এলএসি থেকে ৩৫ কিমি দূরে আরও আন্তত ৫০টি বাড়ি তৈরি করছে তারা। এই বিতর্কিত ভূখণ্ডে নির্মাণের কাজ চলছে পিপসল লিবারেশন আর্মি (Peoples Liberation Army) বা লালফৌজের নজরদারিতে।

পাশাপাশি লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত ৪০০টি গ্রাম বানানোর পরিকল্পনা রয়েছে বেজিংয়ের। উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে ভারত-ভূটান-চিন সংযোগে ডোকলাম নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। আর তারপর থেকেই ওই এলাকায় সড়ক বানাতে চাইছিল চিনা সেনা। তবে গতবছর স্যাটেলাইট সূত্রে পাওয়া ছবিতে দেখা যায় ডোকলামের ৯ কিলোমিটার পূর্বে একটি আস্ত গ্রাম তৈরি করেছে চিন। এদিকে ভারতের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সড়ক বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিন। সীমান্তে শান্তি ফেরাতে দফায়-দফায় দু’দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে এক সর্বভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল দাবি করে, উত্তর-পূর্বে অরুণাচল প্রদেশে ধীরে ধীরে থাবা বসাচ্ছে লালফৌজ। এই বছরের জানুয়ারি মাসে রাজ্যের উত্তর সুবনসিরি জেলায় চিনা অনুপ্রবেশের অভিযোগ সামনে আসে। ওই টেলিভিশন চ্যানেল তাদের রিপোর্টে দাবি করেছিল, ভারতীয় ভূখণ্ডের চার কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে এসে তাসরি চু নদীর তীরে গ্রাম তৈরি করেছে চিন। সেই সময় প্রকাশিত এক উপগ্রহ চিত্রকে প্রকাশ্যে এনে, ওই চ্যানেল দাবি করেছিল ওই এলাকায় ১০০-র বেশি বাড়ি তৈরি করেছে চিন সেনা।

 

 

Related articles

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...

বিজেপির পুরস্কার: শমীক এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? রাজ্য সভানেত্রী হতে পারেন লকেট!

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল। তৃণমূলের থেকে শাসনভার বিজেপির হাতে। আর মুখ্যমন্ত্রী ও পাঁচজন মন্ত্রী এবং বিধায়কদের শপথগ্রহণ হওয়ার পরেই...