Sunday, June 21, 2026

ক্ষুদ্র শিল্পে গতি আনতে ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের লক্ষ্য রাজ্যের

Date:

Share post:

রাজ্যে আরও কর্মসংস্থানের উদ্যোগ। বাংলায় ক্ষুদ্র শিল্পে গতি আনতে ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বছর BGBS-এ বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র শিল্পকে। সেই লক্ষ্যে প্রায় ২০ হাজার ক্ষুদ্র শিল্পদ্যোগীর হাত ধরে ৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ ঘটতে চলেছে। যার ফলে কম করে ১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেবে। আর ঠিক এক সপ্তাহ পর শুরু হবে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন।

২১ এবং ২২ নভেম্বর বসছে সেই বাণিজ্য সম্মেলনের আসর। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বিদেশের কয়েক হাজার প্রতিনিধি সেখানে যোগ দেবেন। তাঁদের সামনে রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্পের দক্ষতা ও সম্ভাবনাগুলি তুলে ধরার পাশাপাশি এই খাতে আরও বিনিয়োগ টানার জন্য মুখিয়ে রয়েছে রাজ্য। ক্ষুদ্র শিল্পের পরিকাঠামো আরও উন্নত করতেও উদ্যোগী হয়েছেন তারা। বর্তমানে ক্ষুদ্র শিল্পের সাফল্যে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলা। এখন লক্ষ্য ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে উঠে আসা। আর সেই লক্ষ্যপূরণের জন্য রাজ্য সরকার (west bengal) হাতিয়ার করছে ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ডকে। এই কার্ডের মাধ্যমে বর্তমান এবং নতুন শিল্পদ্যোগীদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাঁরা যাতে কর্মসংস্থানের দরজা খুলে দিতে পারেন সেই রাস্তা খুলে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সাড়ে ৪ হাজার আবেদনকারী ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা পেয়েছেন। নতুন করে আরও ১৭ হাজার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। এই সংখ্যা ২০ হাজারে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট নিয়ে চলতি সপ্তাহে ব্যাঙ্কে বিশেষ শিবির চালাচ্ছে রাজ্য।

লোকসভার নির্বাচনের আগে BGBS-কে কার্যত ‘পাখির চোখ’ করে এগোতে চাইছে রাজ্য সরকার। সেই কারণেই কর্মসংস্থানের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের আধিকারিক এবং কর্মীরা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ক্ষুদ্র শিল্পদ্যোগীদের আবেদনপত্র মঞ্জুর করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন বলেই জানা গিয়েছে। ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এক একজন শিল্পদ্যোগী গড়ে আড়াই লক্ষ টাকা সহজ শর্তে ঋণ পাচ্ছেন বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে। সেই নিরিখে মোট ২০ হাজার আবেদন মঞ্জুর হলে রাজ্যের এই শিল্পদ্যোগীরা হাতে অন্তত ৫০০ কোটি টাকা পাবেন। সেই টাকা দিয়ে তাঁরা হয় নতুন ব্যবসা শুরু করবেন, অথবা আগের পরিকাঠামো সংস্কার করবেন। এসব কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যকে দেশের ক্ষুদ্র শিল্পের মানচিত্রে আরও উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করবে।


Related articles

২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য দিবস কেন?

আজকের দিনে, অর্থাৎ 1947 সালের 20 জুন বঙ্গীয় আইনসভার বৈঠকে অখণ্ড বাংলার বিধায়করা বাংলা ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য...

আয়ুর্বেদ নিয়ে ঢাকঢোল কেন্দ্রের, ১২১ কোটিতে বেসরকারি হাতে রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ সংস্থা 

একদিকে যখন দেশজুড়ে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবহার বাড়াতে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার লাগাতার প্রচার চালাচ্ছে, ঠিক তখনই...

যোগের দিবসের আগে অভিনব ড্রোন শো, সাক্ষী মুখ্যমন্ত্রী

রবিবার দেশজুড়ে পালিত হবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে কলকাতা। শুক্রবার সকাল থেকেই যোগ দিবসের কাউন্টডাউন শুরু...

সময়সীমা বাড়াতে নারাজ দিল্লি পুলিশ! শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে যন্তর মন্তরে অনড় দীপকে 

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নিট (NEET) পরীক্ষার অনিয়ম ঘিরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উত্তাপ আরও...