তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rujira Banerjee) কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদের বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শেষ হল না শুনানি। বৃহস্পতিবার, এই মামলাটির শুনানি ছিল। কিন্তু দেরিতে শুরু হওয়ায় মামলা শেষে হয়নি। পরবর্তী শুনানি ১৩ অগাস্ট।
একাধিক মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) তলব করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। শুধু কলকাতা নয়, দিল্লিতেও (Delhi) তলব করা হয়েছে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী রুজিরাকে। ইডির (ED) সেই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক এবং তাঁর স্ত্রী। তাঁরা আবেদনে জানান, তাঁদের যেন কলকাতাতেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দিল্লির বদলে তৃণমূল সাংসদ এবং তাঁর স্ত্রীকে কলকাতাতেই জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তার বিরোধিতা করে ইডি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির সমনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা দায়ের করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তরফে দিনের পর দিন জিজ্ঞাসাবাদের নামে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে এ বিষয়ে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন অভিষেক৷ এই মামলার শুনানিতেই অভিষেকের তরফে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করতে গিয়ে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবাল প্রশ্ন তুলে তোলেন প্রিভেনশন অফ মানি লন্ড্রারিং অ্যাক্ট বা পিএমএলএ এবং ফৌজদারি আইন বা সিআরপিসি প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে৷ একটি তথাকথিত আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে কখন পিএমএলএ আইনের অধীনে নোটিশ জারি করতে পারবে ইডি এবং কখন সিআরপিসি ধারা প্রয়োগ করা হবে তার কোনও সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নেই বলে জানান কপিল সিবাল৷ ইডি তার ক্ষমতাবলে যে কোনও সময়ে একজন অভিযুক্তকে দিল্লিতে তলব করতে পারে না বলেও দাবি প্রবীণ আইনজীবীর৷

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই তিন বার ইডির জেরার মুখোমুখি হয়েছেন, মামলার তদন্তে প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিয়েছেন, সব সময়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতা করেছেন৷ তারপরেও কেন তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে জেরার কথা বলা হচ্ছে? প্রশ্ন তোলেন সিবাল৷ তাঁর সওয়াল শেষ হওয়ার পরে ইডির আইনজীবী অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু সওয়াল শুরু করেন৷ কিন্তু সময়াভাবে সেই সওয়াল শেষ করা যায়নি৷ এর পরেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের তরফে জানানো হয় আগামী ১৩ আগস্ট দুপুর ২টোয় হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি৷














