দাবার কিংবদন্তি হিসেবে তিনি বিশ্ববরেণ্য। একক দক্ষতায় বারবার গর্বিত করেছেন দেশকে, তাকে দেখে বেশ কয়েক প্রজন্ম দাবা খেলাকে জীবনের সঙ্গে জুড়ে নেওয়ার শপথ নিয়েছেন। তিনি এদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার বিশ্বনাথন আনন্দ।ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে সম্মানিত হন ২০০৮ সালে। তিনি ও শচীন তেন্ডুলকর যুগ্মভাবে প্রথমবার কোনও ক্রীড়াবিদ হিসেবে এই সম্মান পান।ছোটোবেলা থেকেই দাবা খেলার প্রতি অসম্ভব আকর্ষণ ছিল বিশ্বনাথন আনন্দের । তার ঝুলিতে আছে অসংখ্য পুরস্কার। মেধাবী ছাত্র হিসাবে পরিচিত ছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ । অঙ্কে দারুণ মাথা ছিল । চোখ বন্ধ করে ত্রিকোণমিতির কঠিন ফর্মুলা বলে দিতে পারতেন । বীজগণিত ছিল তার প্রিয় বিষয় ।মা বাবার একান্ত উৎসাহে যোগ দিয়েছিলেন আন্তঃস্কুল দাবা খেলার আসরে । প্রথম অভিযানেই কিস্তিমাত করেন । তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক খেতাব জিতেছেন।গোটা বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছে তার প্রতিভার বিচ্ছুরণ।

তার চেন্নাইয়ের বাড়ির অন্দরসজ্জাতেও কিন্তু ছত্রে ছত্রে জড়িয়ে আছে দাবার চিহ্ন।সম্প্রতি সেশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিওতে সামনে এসেছে তার বাড়ির অন্দরসজ্জার এক ঝলক। ব্যাড সোডেনে আনন্দের বাড়িটি সাধারণত প্রাক-ম্যাচ ক্যাম্পসাইট হিসেবে কাজ করত, যেখানে কয়েক সেকেন্ডের জন্য হলেও আনন্দ থাকতেন। শুধু তাই নয় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দাবাড়ুর স্ত্রী অরুণা তার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলির আগে তাকে পছন্দের খাবার খাওয়াতেন।
ম্যাশেবল গেট ক্র্যাশেসের এই পর্বটিতে দেখা গিয়েছে দাবা কিংবদন্তির ব্যক্তিগত জীবনের এক অনন্য ঝলক। আসলে এই বাড়িটি আনন্দের ব্যক্তিত্বকে প্রতিফলিত করে, যা তার ব্যক্তিত্ত্ব ও সরলতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে মিশে গিয়েছে। এটি এমন একটি শান্তির পীঠস্থান, যেখানে খেলার প্রতি তার আবেগ এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসা একত্রিত হয়ে প্রতিফলিত হয়।সেখানে মেক্সিকো থেকে আনা ২৭ কেজি ওজনের সুন্দর একটি দাবা বোর্ড রয়েছে। অন্যান্য প্রত্যেকটি দাবা বোর্ডের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিজস্ব গল্প। তার স্ত্রী অরুণা জানিয়েছেন, এটি শুধুমাত্র একটি বাড়ি নয়, বরং এমন একটি আশ্রয়স্থল, যেখানে আনন্দ শান্তি এবং অনুপ্রেরণা খুঁজে পান।প্রতিটি দাবা বোর্ডের নিজস্ব গল্প থাকে। এই বাড়িটি আনন্দের ব্যক্তিত্বকে প্রতিফলিত করে, সরলতার সাথে মার্জিতভাবে মিশে গিয়েছে। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে খেলার প্রতি তার আবেগ এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসা একত্রিত হয়, মেক্সিকো থেকে আনা একটি সুন্দর ২৭ কেজি দাবার বোর্ড রয়েছে। পুরো ঘরটির ছত্রে ছত্রে জড়িয়ে রয়েছে দাবার কোনও না কোনও স্মৃতি চিহ্ন।

–

–

–

–

–
–
–
–
–
