বিজেপি ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে ফের ধর্ষণ (Rape in UP) । রেহাই পেল না তিন বছরের শিশু! উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে (Lucknow, Uttar Pradesh) দিনমজুর মা-বাবার ছোট্ট কন্যা সন্তানকে মেট্রো স্টেশনের নীচে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে ধর্ষণ করার অভিযোগ এক অপরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার প্লাস্টিক সার্জারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার গভীর রাতের এই ঘটনার পর থেকে যোগীরাজ্যে নারী ও শিশু সুরক্ষা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তে নামে লখনৌ পুলিশ (Lucknow Police)। ইতিমধ্যেই এনকাউন্টারে অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

মহিলাদের হেনস্থায় বরাবরই শিরোনামে থাকে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি। উত্তরপ্রদেশে যেভাবে ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে তাতে যোগী রাজ্যের প্রতিমুহূর্তে আতঙ্কে থাকেন মহিলারা। কিন্তু তিন বছরের শিশুর তো এই সম্পর্কে কোনও ধারণা থাকার কথা নয়। জীবনটা সঠিক ভাবে শুরু হওয়ার আগেই এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল তাঁর সঙ্গে। যন্ত্রণায় কঁকিয়ে উঠলো তিন বছরের নাবালিকা। ধর্ষিতা শিশুকন্যার অবস্থা দেখে আঁতকে উঠলেন চিকিৎসকরাও। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মা-বাবা দিনমজুরের কাজ করেন এবং প্রতিদিনের শেষে ওই স্টেশনের নীচেই তাঁরা রাতে আশ্রয় নেন। বুধবার রাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে চুপিচুপি তুলে নিয়ে যায় এবং একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।খবর পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। লখনৌ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (সেন্ট্রাল) আশিস কুমার শ্রীবাস্তব জানান, আলমবাগ থানায় মামলা দায়ের করার পাশাপাশি তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই পাঁচটি পৃথক দল গঠন করা হয়। আশেপাশের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। ফুটেজে দেখা যায়এক দুষ্কৃতী স্কুটারে করে শিশুটিকে তুলে নিয়ে পালাচ্ছে।তার পরই অভিযুক্তের খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি।শুক্রবার ভোরে দেবী খেড়া এলাকায় অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। তাঁকেআত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু অভিযোগ, তাঁর কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকেন অভিযুক্ত। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। সেই সময় গুলিবিদ্ধ হন অভিযুক্ত। পরে হাসপাতালে তবে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই লখনৌসহ সমগ্র উত্তরপ্রদেশে শিশু নিরাপত্তা ও গরিব পথবাসী পরিবারগুলির সুরক্ষা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে।মানবাধিকার কর্মী ও শিশু সুরক্ষা সংগঠনগুলিও এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
–

–

–

–

–

–
–
–
–
–
–
–
–
–
–
