Sunday, February 1, 2026

আমি বাংলায় বলছি: চালতাবাগানের থিমে বাংলা ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রতিবাদ

Date:

Share post:

উত্তর কলকাতার দুর্গোৎসব মানেই ভাবনার অভিনবতা। এবারে খুঁটিপুজোতেই সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করল চালতাবাগান সার্বজনীন। তাদের ৮১তম বর্ষের পুজোয় থিম— ‘আমি বাংলায় বলছি’।

একদিকে যখন দেশের কিছু রাজ্যে বাংলা বলার “অপরাধে” শ্রমিকদের হেনস্থা ও বিতাড়নের ঘটনা সামনে এসেছে, ঠিক সেই সময়েই বাংলাভাষার গৌরব ও বাঙালির অস্মিতা তুলে ধরার এক অনন্য বার্তা দিল এই পুজো কমিটি। রবিবার বিকেলে খুঁটিপুজোয় জমজমাট ছিল চাঁদের হাট। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন বিধায়ক সঞ্জয় বক্সী ও স্মিতা বক্সী, স্থানীয় বিধায়ক বিবেক গুপ্তা সহ সমাজের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

পুজো কমিটির সম্পাদক মৌসম মুখোপাধ্যায় জানান, “আমাদের এবারের থিম বাংলাভাষার সুমহান ইতিহাস ও তার সাফল্যকে কেন্দ্র করে। শিল্পী প্রদীপ্ত কর্মকার সেই ভাবনাকে তাঁর সৃজনশীলতায় ফুটিয়ে তুলবেন। বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক, এই বার্তা পৌঁছে দিতে চাই সকলের কাছে। সবাইকে পুজো মণ্ডপে আমন্ত্রণ জানাই।” চালতাবাগানের এই থিম যেন কেবল এক শিল্পভাবনা নয়, বরং মাতৃভাষার অপমানের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা এক নীরব প্রতিবাদ।

আরও পড়ুন – নারী-নির্যাতন রুখতে প্রশিক্ষণ শিবির! পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের আইনি শিক্ষায় জোর রাজ্যের

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

spot_img

Related articles

বৈঠকের আগেই নির্বাচন কমিশন-CEO দফতরের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা মমতার

দিল্লিতে সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। তার আগে রবিবারই...

বিতর্কে প্রলেপের চেষ্টা! বাজেটে ১০০দিনের কাজ থেকে খাদির ‘প্রকল্পে’ স্থান জাতির জনকের

দেশের সাধারণ মানুষের হাতে আর্থিক নিশ্চয়তা দিতে কংগ্রেস সরকার যে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প চালু করেছিল, তার অন্ত্যেষ্টি...

টনক নড়ল ফেডারেশনের, আইএফএ-র চিঠি পরই নক আউটের সূচি বদল

ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্য সন্তোষ ট্রফি (Santosh Trophy) ঘিরে চরম অসন্তোষ। শনিবারই নক আউটের সূচি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ...

জন্মের পরই একরত্তিকে ফেলে যান মা, ডাচ মেয়র আজও অপেক্ষায় বাস্তবের কর্ণ-কুন্তী সাক্ষাতের

তিনদিনের শিশুকে নাগপুরের (Nagpur) আমবাজারি রোডের মাত্রু সেবা সঙ্ঘে ফেলে রেখে গেছিলেন জন্মদাত্রী। তারপর থেকে সেই ছোট্ট শিশু...