নোবেল শান্তি পুরস্কারের (Nobel Peace Prize) খুব আশা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টে ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump)। তা চূর্ণ হল। শান্তিতে নোবেল পেলেন ভেনেজুয়েলার প্রধান বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো (Venezuelan opposition leader Maria Corina Machado)। নরওয়ের রাজধানী অসলোর নোবেল ইনস্টিটিউট থেকে এবারের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বার্থে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য মাচাদোকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। গত বছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছিল জাপানের পরমাণু অস্ত্রবিরোধী সংগঠন নিহন হিদানকায়ো। পরমাণু অস্ত্রমুক্ত একটি বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পরমাণু অস্ত্র আর কখনো ব্যবহার করা যে উচিত নয়, সেটি প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য জাপানের সংগঠনটিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ফের যান্ত্রিক ত্রুটি! মাঝআকাশে আতঙ্ক, জরুরি অবতরণ দুবাইয়ে

মারিয়াকে ‘ভেনেজুয়েলার লৌহমানবী’ বলা হয়। বর্তমানে তিনি আত্মগোপন করে রয়েছেন। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের জন্য ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের মধ্যে তাঁর নামও নির্বাচিত হয়েছিল। গত বছর ভেনেজুয়েলার ভোটের পর থেকেই অন্তরালে রয়েছেন মারিয়া। বলা হয় সেই সময় নিকোলাস মাদুরো ভোটে প্রবল কারচুপি করে ক্ষমতায় আসেন। আর তখন থেকেই আত্মগোপন করেন দেশের প্রধান বিরোধী নেত্রী। এবার তিনিই পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার।

এবার ট্রাম্প পুরস্কার পেতে পারেন বলে গুঞ্জন উঠেছিলে। আবার তিনি নিজেই যে নোবেল শান্তি পুরস্কার চেয়েছেন সেটাও কোনো গোপন বিষয় নয়। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেই অল্প কয়েকজন বিশ্বনেতার একজন, যারা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন। পাকিস্তানও প্রবল চেষ্টা করেছিল ট্রাম্প যাতে শান্তিতে নোবেল পায়। সব চেষ্টা-আশা ব্যর্থ হল।

–

–

–

–
–

