আফসোস নাকি অভিযোগ? বিহারের নির্বাচনে পরাজয়ের পরে লালু প্রসাদ যাদবের পরিবারে যে ভাঙন ধরেছিল তাতে বড়সড় আঘাত পেয়েছিলেন লালু-কন্যা রোহিনী (Rohini Acharya)। সেই পারিবারিক বিভেদ যে এখনও মেটেনি তা আরও একবার স্পষ্ট রোহিনের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। নিজের অসম্মানের প্রতিবাদের পাশাপাশি এবার বিহারে (Bihar) নারীর সম্মান নিয়ে সরব রোহিনী আচার্য। প্রশাসনিক পদক্ষেপে নারী উন্নয়নের পদক্ষেপকে কটাক্ষ রোহিনীর।

বিহার নির্বাচনের ফল প্রকাশের লালুর (Lalu Prasad Yadav) পরিবারে যে অশান্তি শুরু হয়েছিল তাতে বাবার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন লালুর কন্যারা। তার নেতৃত্বে ছিলেন রোহিনী। তিনি দাবি করেছিলেন বাবার বাড়িতে (paternal house) অধিকার তিনি হারিয়েছেন। ফের একবার বাবার বাড়িতে মেয়েদের অধিকারের দাবি নিয়ে সরব রোহিনী আচার্য।
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের রোহিনী (Rohini Acharya) লিখেছেন, রাজ্যের প্রশাসন মহিলাদের হাতে ১০ হাজার টাকা বা সাইকেল দিয়ে মহিলাদের জীবনযাপনের মান উন্নত করতে পারবে না। তাঁদের এমন সমাজ ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে যেখানে মেয়েদের অধিকার সমানভাবে রক্ষিত হয়। সমাজ এবং পারিবারিক ক্ষেত্রে মেয়েদের প্রতি যে উদাসিনতা দেখা যায়, সেই দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত।

বাস্তবে বিহারের (Bihar) পিতৃতান্ত্রিক সমাজকে (patriarchal society) কটাক্ষ করেন রোহিনী। তাঁর দাবি, বিহারের পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতায় চলা রাজনৈতিক এবং সামাজিক – সব ক্ষেত্রেই ব্যাপক পরিবর্তন দরকার। প্রত্যেক মেয়ে যেন এই আশ্বাসের সঙ্গে বড় হতে পারে যে, তাঁর বাপের বাড়িতে তাঁর অধিকার চিরকাল সুরক্ষিত থাকবে। যাতে ভবিষ্যতে যে কোনও জায়গায় অত্যাচারিত, উৎপীড়িত হলে তাঁর একটি আশ্রয় থেকে যায়। প্রশাসনের দায়িত্ব মেয়েদের অধিকারের সেই জায়গাটি প্রতিষ্ঠা করা।

আরও পড়ুন : আরজেডি শিবিরে অশান্তি অব্যাহত, শহর ছাড়লেন লালুর চার কন্যা

একদিকে নিজের পরিবারের থেকে পাওয়া আঘাত। নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি। সেই সঙ্গে নির্বাচনের (Bihar Assembly Election) আগে বিহারে এনডিএ (NDA) সরকারের মহিলা ভাতা রাতারাতি চালু করার রাজনীতি। সবই বিহারের পিতৃতান্ত্রিক সমাজকেই যে প্রতিষ্ঠা করে, তা স্পষ্ট লালু-কন্যা রোহিনী পোস্টে। বর্তমান বিহার প্রশাসনের কাছে নারীর সেই অধিকারের দাবি জানাতে গিয়ে আবার এনডিএ জমানায় মহিলা-তোষণের রাজনীতিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রোহিনী।

लड़कियों को 10,000 रुपये देना या साइकिलें बांटना, भले ही नेक इरादे से किया गया हो, लेकिन ये भारत में महिलाओं के सशक्तिकरण में बाधा डालने वाले व्यवस्थागत मुद्दों को हल करने के मद्देनजर अपर्याप्त है। सरकार और समाज का यह प्रथम दायित्व होना चाहिए कि वह बेटियों के समान अधिकारों की…
— Rohini Acharya (@RohiniAcharya2) December 11, 2025
–

–
–
