গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সম্প্রতি ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ডের পণ্যের উপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই শুল্ক নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা ছিল আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। কিন্তু আচমকাই সুর নরম করলেন ট্রাম্প। ইউরোপীয় দেশগুলির উপর থেকে প্রত্যাহার করলেন অতিরিক্ত শুল্ক। কারণ ট্রাম্পের ন্যাটোর সঙ্গে বৈঠকের পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে দ্রুত চুক্তি কথা হয়েছে।

সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরই ইউরোপীয় দেশগুলির উপর থেকে শুল্ক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই ফোরাম থেকে তিনি আরও বলেছেন, “আমি চাই গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার অংশ হোক, পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপটির পূর্ণ অধিকার, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতে থাকুক। এই উদ্দেশ্যে অমি সামরিক অভিযান চালাবো না। আমেরিকার সম্প্রসারণ নীতির পথে ন্যাটোর বাধা দেওয়া উচিত নয়।” তাঁর কথায়, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকা ইউরোপকে রক্ষা করেছিল। বিগত কয়েক দশকে আমরা তাদের জন্য তা করেছি, তার তুলনায় এটি খুবই সামান্য দাবি।”

কিন্তু কেন আচমকা এই দেশগুলির উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করলেন ট্রাম্প? ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ন্যাটো মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকটি ফলপ্রসু ছিল। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে শীঘ্রই একটি চুক্তি হবে, তাতে আমরা সহমত। গ্রিনল্যান্ড ছাড়াও গোটা আর্কটিক অঞ্চল এই চুক্তির আওতায় পড়বে।’

–

–

–

–

–

–

–


