মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে একদিকে যখন রাজনীতিতে বড়সড় ঝটকা গোটা দেশে, তখনই সেই দুর্ঘটনায় গুরুতর প্রশ্ন তুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister)। তাঁর কথায় ইঙ্গিত মিলল এই ঘটনায় ষড়যন্ত্রের। এভাবে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় এজেন্সি (central agency) বাদ দিয়ে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্তের দাবি জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সঙ্গে এনসিপি প্রধানের মৃত্যুকে দেশের জন্য বড় ক্ষতি, বলে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রীর।

বুধবার সিঙ্গুরে যাওয়ার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই খবরে আমি স্তম্ভিত। মর্মাহত। শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তা হলে দেশের জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। গোটা ঘটনায় নিরাপত্তা এবং প্রত্যেকদিন মনিটরিংয়েরও দাবি বাংলার প্রশাসনিক প্রধানের। ঠিক যেভাবে আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার পরে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন সেভাবেই তিনি অভিযোগ তোলেন, দেশের মানুষের কোনও সুরক্ষা নেই। তাই প্রকৃত কারণ সামনে আসা দরকার।

মহারাষ্ট্রের এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব যে সুদূর প্রসারী হতে চলেছে তার ইঙ্গিত মমতার কথায়। তিনি দাবি করেন, একটি সূত্রে জানতে পেরেছি, অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar) বিজেপি ছাড়তে চাইছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে এই দুর্ঘটনা সন্দেহজনক। আমি দেখেছিলাম, কিছু রিপোর্টে বলা হচ্ছিল তিনি হয়তো নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। এই প্রেক্ষাপটে এমন ঘটনা নিঃসন্দেহে আরও বেশি উদ্বেগের।

আরও পড়ুন : অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে সঠিক তদন্তের দাবি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর

ঠিক সেই কারণেই এই মৃত্য়ুতে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতও বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। এই ঘটনার গুরুত্ব উল্লেখ করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দাবি, কোনও এজেন্সির (central agency) তদন্ত চাই না। এজেন্সিগুলি কেন্দ্রের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে। তাই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তত্ত্বাবধানে প্রকৃত ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া জরুরি।

–

–

–

–

–


